

আরিফুল ইসলাম, রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি:
অবশেষে সকল জল্পনা -কল্পনা ও ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে পুনরায় পাহাড়ের অবিসংবাদিত নেতা দীপঙ্কর তালুকদার পুনরায় বিনা প্রতিদন্দীতায় রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন।সাধারন সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দীতা করে ভোটের মাধ্যমে হাজী কামালকে হারিয়ে ৩৬ ভোট বেশি পেয়ে হাজী মুছা মাতাব্বর সাধারন সম্পাদক পদে জয়ী হন। তিনি পেয়েছেন মোট ১৩৮ ভোট। অন্যদিকে হাজী কামাল উদ্দিন পেয়েছেন ১০২ ভোট। মোট ২৪৬ভোটের মধ্যে কাষ্ট হয়েছে ২৪০ ভোট।
আজ ২৪শে মে রোজ মঙ্গলবার রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সম্মেলন উপলক্ষে রাঙ্গামাটিতে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
সম্মেলনে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এমপি, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ডঃ হাছান মাহমুদ এমপি। প্রধান বক্তা হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাইদ আল মাহমুদ এমপি, সিরাজুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম আমিন, সুজিত রায় নন্দি, পার্বত্য উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা, চিংকুরোয়াজা, বাসন্তী চাকমা এমপি, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আংসাইপ্রু চৌধুরী, হাজী মো কামাল প্রমুখ।
উক্ত সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন দিপঙ্কর তালুকদার এমপি এবং সঞ্চালনায় ছিলেন হাজী মুছা মাতাব্বর।
সম্মেলনটি উপলক্ষে রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বর্নাঢ্য এক আয়োজন করা হয়।শুরুতে দশ উপজেলার আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের অংশগ্রহণে পতাকা উত্তলন করা হয়।এরপর বঙ্গবন্ধুসহ জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে অতিথীরা পুষ্পার্ঘ অর্পন করেন এবং শান্তির প্রতিক পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের শুভ সুচনা করেন।
ভার্চুয়াল মাধ্যমে সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথি আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও সড়ক পরিবন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব পাহাড়সহ সারা বাংলাদেশে উন্নয়নের জোয়ার বইছে। তিনি রাঙ্গামাটিতে আওয়ামী গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সম্মেলন কামনা করেন।





