
রাজীবপ্রধান, শ্রীপুর-গাজীপুর: স্বাধীনতার স্থপতি সর্ব কালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙ্গালী জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০২১ উপলক্ষে আলোচনা সভা,

দলিত হরিজন অনগ্রসর জনগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের মাঝে উপবৃত্তির চেক বিতরন,যুবঋন ও ঢেউটিন বিতরন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। রবিবার সকাল ৯টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুশেখ মুজিবুর রহমানের প্রকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে উপজেলা প্রশাসন এর আয়োজনে শ্রীপুর উপজেলা অডিটোরিয়াম প্রঙ্গনে নানা আয়োজনে পালিত হয় এসকল কর্মসুচি।
উক্ত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর -৩ আসনের মাননীয় সাংসদ ও গাজীপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক, জননেতা ইকবাল হোসেন সবুজ (এমপি)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার ইমাম হোসেন, শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডঃ শামসুল আলম প্রধান, সাবেক সভাপতি উপজেলা আওয়ামীলীগ।
আলহাজ্ব আনিছুর রহমান আনিছ, গাজীপুর জেলা আওয়ামিলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মেয়র শ্রীপুর পৌরসভা। মাহতাবউদ্দিন, ভাইস চেয়ারম্যান শ্রীপুর উপজেলা পরিষদ। আমজাদ হোসেন বিএ কাউন্সিলর ও পেনেল মেয়র শ্রীপুর পৌরসভা । এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, গাজীপুর জেলা আওয়ামিলীগের দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন( দুলু) উপজেলা আওয়ামীলীগ আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির হিমু। পৌর আওয়ামিলীগের সভাপতি আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম ও পৌর সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম মোল্লা। মাসুদ আলম ভাঙ্গী উপজেলা আওয়ামীলীগ। রাশেদুল হাসান রাশেদ পৌর আওয়ামিলীগ সহ
ছাএলীগ, শ্রমীকলীগ ,সেচ্ছাসেবকলীগ সহ অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীবৃন্দরা। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব তরিকুল ইসলাম (ইউএনও)।
এসময় ভয়াবহ সেই ১৫ আগষ্টের নির্মম হত্যাকাণ্ড আর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি নিকৃষ্টতম ঘটনা সম্পর্কে বর্ননা করেন এমপি ইকবাল হোসেন সবুজ। তিনি বলেন,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সাল , স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের নিজ বাসায় সেনাবাহিনীর কতিপয় বিপথগামী সেনাসদস্যের হাতে স্বপরিবারে নিহত হন ৷ সেদিন তিনি ছাড়াও ঘাতকের বুলেটে নিহত হন তার স্ত্রী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব ৷ এছাড়াও তাদের পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনসহ নিহত হন আরো ১৬ জন।
১৫ আগস্ট নিহত হন মুজিব পরিবারের ছেলে শেখ কামাল; শেখ জামাল ও শিশু পুত্র শেখ রাসেল; পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজী কামাল; ভাই শেখ আবু নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগনে শেখ ফজলুল হক মণি ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বেগম আরজু মণি ৷ বঙ্গবন্ধুর জীবন বাঁচাতে ছুটে আসেন কর্নেল জামিলউদ্দীন, তিনিও তখন নিহত হন ৷ দেশের বাইরে থাকায় বেঁচে যান বঙ্গকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোটবোন শেখ রেহানা ৷
এরপর থেকেই প্রতি বছর ১৫ আগস্ট জাতি গভীরশোক ও শ্রদ্ধায় স্মরণ করে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সকল সদস্যদের, পালিত হয় জাতীয় শোকদিবস। এছাড়াও ১৫ আগষ্ট রবিবার শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের নানা আয়োজনে সারাদিন ব্যাপি পালিত হয় জাতীয় শোক দিবস।





