ছাতক থানার সেবাচত্বর ভাংচুর: ৯৪ জনের নাম সহ অজ্ঞাত ৯০০জন আসামী করে মামলা

0
15

সুষ্ময় দাশ, ছাতক প্রতিনিধি:: হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাও. মামুনুল হক আটকের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার মামুনুল হকের অনুসারী ও হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা

শনিবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে দশটা পর্যন্ত কয়েকদফা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এসময় উগ্রবাদী মিছিলকারীরা শহরের ট্রাফিক পয়েন্টে দোকানপাট ভাংচুর করে। মুহূর্তের মধ্যেই এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে।

এসময় বিক্ষোভকারীরা ছাতক থানা ঘেরাও করে হামলা চালিয়ে থানা চত্বর ভাংচুর করে। থানায় হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় রবিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে একটি মামলা (নং-০৫) দায়ের করা হয়েছে। ছাতক থানার এসআই আনোয়ার মিয়া বাদী হয়ে ঘটনার সময়ে আটক ৯ জন সহ ৯৪ জনের নাম উল্লেখ করে এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাত আরো ৯০০জনকে আসামি করা হয়েছে।

মিছিলকারীরা শনিবার রাতে হামলা করে থানার সেবা চত্বরে ব্যাপক ভাংচুর করে। এতে চার পুলিশ সদস্য আহত হয়। এসময় পুলিশ কয়েক রাউন্ড ফাকা গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

আটকৃতরা হলো ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের গণেশপুর ছড়ারপাড় গ্রামের আব্দুল মন্নানের পুত্র জয়নাল আবেদীন (২২), গণেশপুর-বাহাদুরপুর গ্রামের আব্দুল নূরের পুত্র শামছুদ্দিন (২১), জালাল আহমদের পুত্র সুমন আহমদ (১৯), মোঃ আব্দুল্লাহ’র পুত্র মোস্তাফিজুর রহমান ফাইম (১৯), গণেশপুর-নোয়াগাও গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের পুত্র আলী হোসেন (২৮), রহমতপুর-জামুরা গ্রামের ইমান উদ্দিনের পুত্র রাজন আহমদ (২২), মধ্য-গণেশপুর গ্রামের আফাজ উদ্দিনের পুত্র একরাম হোসেন (২০), পৌরসভার মোগলপাড়া এলাকার সমুজ আলীর পুত্র জনি আহমদ (১৯), কোম্পানীগঞ্জ থানার ইছাকলস গ্রামের মৃত আকলুছ মিয়ার পুত্র আবুল হোসেন (৩০)।

গতকাল (৩ এপ্রিল) রাতে তাদের আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ নাজিম উদ্দিন মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আসামীদের গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।