
#সময়েরপাতা: #রংপুর অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী প্রাচীনতম #ভাওয়াইয়া শিল্পীদের সংগঠন “গীদালের আখড়া” এর নতুন বিভাগীয় কমিটি গঠিত হয়েছে। পবিত্র ঈদুল আযহা’র পরের দিন বৃহস্পতিবার(২২ জুলাই) দিনব্যাপী বৈঠক শেষে ২৫ সদস্য বিশিষ্ট বিভাগী খসড়া কমিটি গঠন করা হয়। 
খসড়া কমিটিতে সর্বসম্মতিক্রমে খন্দকার মোহাম্মদ আলী সম্রাট সভাপতি এবং মিনহাজ উদ্দীন আজাদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। অনন্ত কুমার দেব, সামিউল হাসান লিটন ও আব্দুস সাবের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। মোঃ শফিকুল ইসলাম শফি ও মোঃ মমিনকে সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন করা হয়।
সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে বাদশা আলম ও দপ্তর সম্পাদক হিসেবে লিপি সরকার নির্বাচিত হয়েছেন। উল্লেখ্য যে, ১৯৭৩ সালে ভাওয়াইয়া প্রশিক্ষণ, চর্চা,গবেষণা ও সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়।বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলসহ ভারতের কোচবিহার, শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়ি অঞ্চলে সংগীত শিল্পীদের বলা হয় গীদাল।
ভাওয়াইয়া যেহেতু এ অঞ্চলের গান। তাই ভাওয়াইয়া চর্চার এই সংগঠনের নামকরণ করা হয় গীদালের আখড়া এবং সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন এ অঞ্চলের বিশিষ্ট ভাওয়াইয়া গবেষক, গীতিকার, সুরকার ও শিল্পী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: সিরাজ উদ্দিন।
গীদালের আখড়া’র প্রধান কার্যালয় রংপুর শহরের বৈরাগী পাড়ায় অবস্থিত। গীদালের আখড়ায় নিয়মিত ভাওয়াইয়া প্রশিক্ষন প্রদান করা হয়।মো: সিরাজ উদ্দিনের তত্বাবধানে এ যাবৎ “গীদালের আখড়া”হতে প্রশিক্ষন গ্রহন করে অনেক সংগীত শিল্পি, গীতিকার ও সুরকার প্রতিষ্ঠা লাভ করেছেন। প্রতি সপ্তাহে সংগঠনে ভাওয়াইয়ার আসর বসে।
গীদালের আখড়ার আয়োজনে প্রতি বছর ভাওয়াইয়া উৎসব পালন করা হয়। প্রত্যন্ত অঞ্চল হতে ভাওয়াইয়া শিল্পীদের এ অনুষ্ঠানে উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু মাঝে কয়েক বছর বন্ধ থাকার পর ২০১৯ সালে পুনরায় উৎসব চালু হয়েছে।
এ ছাড়া ইউ টিউবে গীদালের আখড়া নামে একটি চানেল রয়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে তাদের শেকড়ের গান শুনতে পারে সেজন্য প্রাচীন ও নতুন ভাওয়াইয়া সংরক্ষণ করার কাজ চলছে।
স্থানীয শিল্পানুরাগীদের সহযোগীতায় গীদালের আখড়া এগিয়ে চলছে তার নিজস্ব গতিতে।





