

মোঃখায়রুল ইসলাম হৃদয়. (গজারিয়া,মুন্সিগঞ্জ)ঃ
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার টেংগারচর ইউনিয়নের আওতাধীন রাস্তার বেহাল দশা।টেংগারচর ইউপি চেয়ারম্যান গত শনিবার ১৮ জুন ইউপি সদস্যদের সাথে নিয়ে ব্রিজের দুই পাশের ভাঙ্গন কবলিত স্থান পরিদর্শন করে যাওয়ার এত দিনে ও হয়নি বিন্দু মাত্র মেরামত।টেংগারচর ইউনিয়নের এ রাস্তাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। টেংগারচর গ্রামের তথা ইউনিয়নের প্রবেশ পদ বলা হয়ে থাকে এ রাস্তাটি।
ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ড এর মধ্যে টেংগারচর গ্রামের ১,২,৩ নং এ তিন টি ওয়ার্ড এবং উওশাহাপুর,বৈদ্যারগাঁও,মিরের গাঁও,মিরপুর, এসব এলাকার ইউনিয়নের ওয়ার্ড বাসির ঢাকা মুখি যাতায়াতের প্রধান রাস্তাই এটা।টেংগারচর ইউনিয়নের টেংগারচর ,ভাটেরচর টু হোসেন্দি এবং বালুয়াকান্দী ইউনিয়নের জামালদি স্ট্যান্ড এলাকার যাতায়াতের ব্যস্ততম রাস্তা এটা ভেঙে আছে আজ প্রায় কয়েক মাস। তবে কিছু দিন আগে টেংগারচর টু বড় ভাটেরচর ব্রিজের টেংগারচর অংশের ঢালের দুই সাইট এ পাথরের ব্লক ভেঙে রাস্তাটির চরম আকার ধারন করে।
স্থানীয় গাড়ি চালক এবং যাত্রীদের সাথে কথা বলিলে তারা জানান,এমত অবস্থা চলিতে থাকিলে সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয়ের ব্রিজটি অস্তিত্ব হুমকি মুখে।তাই এখনি দ্রুত প্রদক্ষেপ না নালে রাস্তা সম্পূর্ণ নদীর গর্বে হারাবে তো সাথে ব্রিজটি কেও হারাতে হতে পারে।
স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার আরমান সিকদার এর সাথে আলোচনা করে জানিতে পারি,তাকে জনগনের প্রশ্নের মুখে পরিতে হয় প্রতিনায়ত।সেজন্য এমন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি যাতে দ্রুত মেরামত করা হয় সে লক্ষ্যে তিনি তার নির্বাচিত চেয়ারম্যান জনাব কামরুল হাসান ফরাজি সাহেব কে অবগত করেন, তিনি শুধু অবগত করেন নি আরমান সিকদার রাস্তাটির গুরুত্ব বিবেচনা করে সাথে টেংগারচর ইউনিয়নের ১,২,৩নং সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার সহ ইউপি সদস্যগনদের সাথে নিয়ে এসে চেয়ারম্যান সাহেব কে পরিদর্শন করান, এমন গুরুত্বপূর্ণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তাটি দ্রুত মেরামতের জন্য বরাদ্দ চান।
ইউপি চেয়ারম্যান তাদের জানান পরিষদে নাকি বর্তমানে বাজেট নেয়,তাই কাজ করিতে পারিবেন না।এমতো অবস্থায় সাধারণ মানুষের প্রশ্ন ইউপি কোষাগারে কি সত্যিই কোনো টাকা নেই।আর প্রতিটি ইউনিয়নে তো স্থানীয় সরকার পরিষদ থেকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ সহ বিভিন্ন কারণে অগ্রিম বরাদ্দ প্রদান করা হয়ে থাকে।সে ক্ষেত্রে এসব বরাদ্দ গুলো কোথায়। টিএ,টিআর, কাবিখা ছাড়াও একাধিক খাত থেকে স্থানীয় সরকার পরিষদ পরিচালনার জন্য বরাদ্দ থাকে।
ব্রিজটির দুই পাশে এখন প্রচুর পানি,পানি আরো বৃদ্ধি পেতে পারে।তাই এখনি যদি এতটুকু ভাঙ্গন বালু,কাদাঁ ফেলে এগুলোর উপর ব্লক গুলো না বসানো হয়।তাহলে সত্যিই বিশাল হুমকির মুখে পরে যাবে উক্ত রাস্তাটি সহ সম্পূর্ণ ব্রিজটি।





