

গাজীপুর প্রতিনিধিঃ
মাদক সম্রাট দুলাল ওরুফে (কাইল্লা)দুলালের মাদকের ব্যাপকতা ছরিয়ে পরেছে যুব সমাজে।
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলাধীন বরমী ইউনিয়নের পাইটাল বাড়ী এলাকায় চলছে তার একক আধিপত্য। প্রশাসনের চোখ ফাকি দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে ইয়াবা ব্যবসা। ফলে হুমকির মুখে পরছেন সচেতন মহল,ও পরিবার। তাদের এলাকার আশেপাশে এভাবে ওপেন মাদক সেবন কিংবা মাদক বেচাকেনা হয়। অনেক সময় ছেলেমেয়েদের আসক্তির কারনে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়না। তাদের দাবি এই সকল অসাধু মাদক ব্যবসায়ীরা যদি মাদক দ্রব্য বেচা কেনা না করতে পারতো তাহলে তাদের সন্তানদের ও ঠিক মতো মানুষ করা যেতো। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, কাইল্লা দুলাল বহু দিন ধরে ইয়াবা বিক্রি করে আসছে, অথচ সে পুলিশের ধরা ছোয়ার বাইরে। তাছারা তার বিরুদ্ধে এখনো পর্যন্ত কেউ প্রতিবাদ করে পার পাইনি। কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলে তার উপর নেমে আসে অত্যাচার। এ অবস্থায় চলতে থাকলে পরিবার আর সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় কাটাতে হচ্ছে দিন। বাংলাদেশে মাদকের চাহিদা আছে তাই সরবরাহও আছে৷ কিন্তু সরবরাহ বন্ধ করা না গেলে চাহিদা বাড়তেই থাকবে৷ আর বাংলাদেশকে মাদক পাচারের রুট হিসেবেও ব্যবহার করা হচ্ছে বিভিন্ন সময়ে। ফলে প্রতন্ত্য গ্রাম অঞ্চল থেকে শুরু করে সমগ্র দেশে এই মাদকের ছড়াছড়ি ব্যাপক হারে। অচিরেই ধংস হচ্ছে যুব সমাজ। মাদক সক্রান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে। যার ফলশ্রুতিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন ২০১৮ প্রণয়ন করা হয়।এই আইনটি অত্যন্ত সূদুরপ্রসারি এবং যুগোপযোগী করে প্রস্তুত করা হয়।
এলাকাবাসীর দাবী যেনো এই ইয়াবা ব্যবসায়ী কাইল্লা দুলালকে আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা যেনো করা হয়। নয়তো যুব সমাজ তথা ঘরের সন্তানদের মাদকের এ-ই ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবেনা বলে জানায় এলাকার সচেতন মহল।





