চট্টগ্রামে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত।

0
0

দেবাশিষ গোলদার,চট্রগ্রাম: গত বছরের মতো এবারের ঈদুল ফিতরেও চিরচেনা সেই দৃশ্য- নামাজ আদায় শেষে কোলাকুলি-করমর্দন কিংবা বাসায় নিয়ে আপ্যায়ন-কোনটাই সম্ভব হচ্ছে না করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে।

চট্টগ্রামে ঈদের প্রধান জামাত   অনুষ্ঠিত।
চট্টগ্রামে ঈদের প্রধান জামাত 
অনুষ্ঠিত।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত বিজ্ঞপ্তিতে ‘ঈদগাহ বা খোলা জায়গার পরিবর্তে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত নিকটস্থ মসজিদে আদায় করার নির্দেশনা জারি করা হয়। এমনকি কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রেও সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে বলা হয়। সেই নিয়ম মেনেই চট্টগ্রামে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর।

শুক্রবার (১৪ মে) সকাল ৮টায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে দামপাড়া জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদে।

 

ইমামতি করেন জমিয়তুল ফালাহ মসজিদের খতিব হযরতুল আল্লামা সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী। দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন জমিয়তুল ফালাহ’র পেশ ইমাম মাওলানা নূর মুহাম্মদ সিদ্দিকী।-বাংলানিউজ

 

ঈদ জামাত শেষে খুতবা পেশ করা হয়। এরপর দোয়া ও মোনাজাতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে দেশ-জাতিকে রক্ষায় মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করার পাশাপাশি করোনায় আক্রান্ত ও নিহতদের জন্য দোয়া করা হয়েছে।

 

কেন্দ্রীয় ঈদ জামাত কমিটি স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে নামাজের আয়োজন করে থাকলেও করোনার কারণে এবার তা হয়নি। পাশাপাশি নগরের প্রায় সব উন্মুক্ত ময়দান বাদ দিয়ে ঈদ জামাত মসজিদে আয়োজন করা হয়।

 

লালদীঘি শাহী জামে মসজিদে প্রথম ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে এবং দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে। সকাল ৮টায় সুগন্ধা আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, হযরত শেখ ফরিদ (র.) চশমা ঈদগাহ মসজিদ, চকবাজার সিটি করপোরেশন জামে মসজিদ ও মা আয়েশা সিদ্দিকী চসিক জামে মসজিদে (সাগরিকা জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়াম সংলগ্ন) ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

এছাড়াও স্বাস্থ্যবিধি মেনে নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের তত্ত্বাবধানে ১টি করে প্রধান ঈদ জামাত নিজ নিজ এলাকার মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল সাড়ে ৮টায়।

 

সবাই দূরত্ব বজায় রেখে ঈদের নামাজে শরিক হয়েছেন, অনেকের মুখে ছিল মাস্ক হাতে গ্লাভস। নামাজ শেষে অন্যান্যবারের মতো কোলাকুলি বা হাত মেলানো থেকে কেউ কেউ বিরত থাকলেও একে অপরকে ঈদ শুভেচ্ছা জানাতে ভুলেননি।