কয়রায় ছাএলীগ নেতার উপর হামলা, অবস্থা আশংকাজনক

0
6

শুভ মন্ডল-কয়রা উপজেলা প্রতিনিধিঃ-
খুলনার কয়রায় চিহ্নিত সন্তাসীরা বেপােয়া হয়ে উঠেছে।যাদের হাতে যখম হয়েছে খুলনার কয়রা উপজেলার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোঃ আল-আমিন হোসেন (৩০) । আহত আল আমিন কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন । প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়(৭ আগস্ট) শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের বড় ব্রিজের ওপর পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে আগে থেকে ওতপেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। তার চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এলে সন্ত্রাসীদের ধাওয়া দিলে জখম অবস্থায় তাকে ফেলে রেখে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা সন্ত্রাসী লাল মিয়া (২৬) কে ধরে কয়রা থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। মুমূর্ষ অবস্থায় সাবেক আহবায়ক ছাত্রলীগ নেতা আল-আমিনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুমেক হাসপাতালে প্রেরণ করে। খবর পেয়ে কয়রা থানার ওসি মোঃ রবিউল হোসেন তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম মহসিন রেজা বলেন, জামায়াত-বিএনপি’র এই সন্ত্রাসী গ্রুপটি বিশেষ এক ব্যক্তির ছত্রছায়ায় থেকে একের পর এক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে জামাত-বিএনপি’র এজেন্ডা বাস্তবায়নের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে । একাধিক দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও এই সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলার শিকার হয়ে অঙ্গহানি হয়েছে একাধিক সাংবাদিক, আইনজীবী, ব্যবসায়ী সহ সাধারণ মানুষ। তিনি আরও বলেন, বিগত ইউপি নির্বাচনের মনোনয়ন বাছাইয়ের পর থেকে জামাত বিএনপি পরিবারের সদস্যের ইন্দনে এসকল সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালিত হচ্ছে। তিনি সন্ত্রাসীদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানিয়ে ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। স্থানীয়রা জানান,বিগত কয়েক মাস মহারাজপুর ইউনিয়নে সন্ত্রাসীরা খুবই বেপোয়া হয়ে উঠেছে। একের পর এক হামলা ও জখম করছে আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীকে। আওয়ামীলীগ প্রেমী মানুষ নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন বলে জানান নাম প্রকাশে একাধিক আওয়ামীলীগের নেতা কর্মী। তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

কয়রা থানার ওসি মোহাম্মদ রবিউল হোসেন বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।