
মো: সিদ্দিক হোসেন, রৌমারী উপজেলা প্রতিনিধি: বাল্যবিবাহ যেকোন সমাজ বা জাতীর জন্য অভিশাপ। বাল্য বিবাহের কবলে পরে হাজার হাজার ছেলে মেয়ের জীবন ধ্বংস হয়েছে এমন নজির সমাজে অনেক।#রৌমারী
তাই সরকার বাল্য বিবাহ নিরসনে শক্ত হাতে মাঠে নেমেছে। তবুও থেমে নেই বাল্য বিবাহ। ছেলে মেয়ের অলপ বয়সে প্রেমে জরিয়ে পর। অভিভাবকদের অসচেতনা এসব করনে গ্রামাঞ্চলে এখনো বাল্য বিবাহ ব্যাপক প্রচলিত।
আর এ সব বিয়েতে জড়িত খোদ কাজী। অনেক অসাধু কাজী টাকার লোভে বাল্য বিয়ে সম্পন্ন করেন। এমন একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার যাদুচর ইউনিয়নের কাজী আব্দুস সবুরের বিরুদ্ধে।
জানা যায়, করোনা কালীন সময়ে ছাত্র ছাত্রীরা বাড়িতে থাকায় সীমান্তবর্তী এলাকায় শিক্ষিত মানুষগুলো তাদের সন্তানদের নিয়ে দুঃচিন্তায় পড়ে যায়। আর এই সুযোগে কাজী আব্দুস সবুর ও তার সহযোগী আশরাফুল বকবান্দা নামা পাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসির উদ্দিনের যোগ সাজোসে ১ বছরে প্রায় ১২জন মেয়ের বিয়ে দেয়। যাদের বয়স ১২ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে।
উপজেলা নির্বাহী অফিস সূত্রে জানা যায় যে, ১২ জন মেয়ের বিয়ের কথা বলা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ১জন, ৭ম শ্রেণির ৪ জন, ৮ম শ্রেণির ৩ জন ৯ম শ্রেণির ৩ জন ও ১০ম ¤্রিেণর ১জন।
অভিযোগে আরো বলা হয় কাজী সবুর, আশরাফুল ও নাসির একই এলাকার ও ঘনিষ্ট আত্মীয় হওয়ার কারণে তাদের আরেক আত্মীয় কুড়িগ্রাম জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শামসুল আলমের প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় এসব করছে। জেলা শিক্ষা অফিসারের প্রভাবে রৌমারী উপজেলার অন্যান্য স্কুলের শিক্ষকরা মুখ খুলতে সাহস পায় না। আর এ ভাবেই দিনের পর দিন তাদের অপকর্মের প্রবণতা বেড়েই যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথে যোগযোগ করা হলে তিনি অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন।
যাদুরচর ইউনিয়নের কাজী আব্দুস সবুরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সব স্বীকার করে এবং জন্ম সনদ অনুযায়ী বিবাহ রেজিষ্ট্রী করা হয়েছে বলে সময়েরপাতাকে জানায়।





