
বিপুল জামান লিখন,নেত্রকোণা প্রতিনিধি
স্বামী জীবিত অবস্থায় বিধবাভাতা নিচ্ছেন নারীরা।এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্যের আভাস মিলেছে নেত্রকোনার বিভিন্ন উপজেলায়।নেত্রকোণার পূর্বধলায় এমনই একটি চিত্র পাওয়া যায়।তথ্যের আলোকে জানা যায় তারা সকলেই জীবিত এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন।সরকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভোট প্রদান ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে তবুও তারা মৃত।গল্পটা ভুতুড়ে হলে বাস্তব।শুধুমাত্র ইস্যু কার্ড দিয়ে বিধবাভাতা তুলে নিচ্ছেন।
তথ্যের আলোকে জানা যায়,জেলার পূর্বধলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের দুটি গ্রামে বিধবাভাতা নিচ্ছেন।তারা হলেন,হাসেন আলীর স্ত্রী কুলসুমা,জহর উদ্দিনের স্ত্রী রুমেলা,সিদ্দিক খানের স্ত্রী রানু বেগম,মরম আলীর স্ত্রী মাহমুদা,এখলাসের স্ত্রী নুরজাহান,হসিম উদ্দিনের স্ত্রী হালেমা,রইছ উদ্দিনের স্ত্রী ফিরোজা,নজলুর স্ত্রী জমিলা ও পাশ্ববর্তী গ্রামের নবী হোসেনের স্ত্রী জুলেখা,আবু হোসেনের স্ত্রী নাছিমা।তারা সবাই পৃথক গ্রামের ভুক্তভোগী।
উল্লেখ যে,প্রতিটা ইউনিয়নের নিজস্ব কমিটি আছে এবং তাদের যাচাই বাছাইকরণ তাদের ওপরই পরে।ইউনিয়ন সচিব থেকে শুরু করে ইউপি সদস্যরা সদস্য থাকেন।তাদের চুড়ান্ত তালিকা প্রকাশের সমাজসেবা অধিদপ্তর এই ভাতা প্রদান করে থাকেন।নেত্রকোণায় ৪৭ হাজার ২৭৮ জনকে বিধবাভাতা দেওয়া হয় তার মধ্যে নারান্দিয়া ইউনিয়নে ৩৭৮ জন পান।তার মধ্যে ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ৫০ জন ভুক্তভোগী।তবে স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে জানা যায় ইউপি সদস্য আবুল কালাম খান এই কাজ করেন যারা স্বামী জীবিত থাকা সত্ত্বেও ভাতা পান।
স্থানীয় লোকজন আরো জানায়,ইউপি সদস্য আবুল কালাম খানের এক ভাই সৌদি প্রবাসীর নামেও পঙ্গুভাতা তুলছেন।এমনকি ভাই বোন,স্ত্রীদের নাম দেখিয়ে বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা তুলছেন।তাছাড়া এই বিষয় নিয়ে কথা বললে নানা ধরনের হুমকি দেয়।
এ বিষয়ে জেলা সমাজ সেবা উপপরিচালক মোঃআলা উদ্দিন বলেন,বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





