করোনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শেরপুরের পর্যটন কেন্দ্রগুলো জমে ওঠেনি

0
12

শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুর জেলার নয়নাভিরাম গারো পাহাড়ের পিকনিক স্পট (পর্যটন কেন্দ্র) গুলো এবার জমে ওঠেনি। করোনার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এখানে ঘুরতে আসা পর্যটকদেরও ভালো লাগে না। করোনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শেরপুরের পর্যটন কেন্দ্রগুলো জমে ওঠেনি

আবার এখানকার ইজারাদার ও ব্যবসায়ীদেরও লাভের পরিবর্তে গুনতে হচ্ছে লোকসান। দেশের উত্তর সীমান্তবর্তী শেরপুর জেলার নয়নাভিরাম গারো পাহাড়। এ গারো পাহাড়ের নৈসার্গিক দৃশ্য অবলোকন করার জন্য সারা দেশের মানুষ এখানে প্রায় সারা বছরই বেড়াতে আসেন।

তাই এখানে শেরপুর জেলা প্রশাসন গড়ে তুলেছে গজনী অবকাশ ও বনবিভাগ প্রতিষ্ঠা করেছে মধুটিলা ইকোপার্ক নামে দুটি পর্যটন কেন্দ্র। এ পর্যটন কেন্দ্রে শীত ও শুকনো মওসুমে প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষ এখানে সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য আসেন। কিন্তু করোনার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এবার দর্শনার্থী খুবইক কম।

তাই ভালো লাগেনা এখানে আসা দর্শনার্থীদেরও। এমনই একজন ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা নিশাদ হুছনাইন নামের এক চাকুরী জীবি জানান, আমার ভালো লাগার জায়গা এ পর্যটন কেন্দ্র।

কিন্তু দর্শনার্থী কম থাকায় এবার সেই আগের মতো ভালো লাগছেনা। আর দর্শনার্থীদের জন্য পশরা সাজিয়েছে এখানকার ব্যবসায়ীরা। মওসুমের জন্য দোকানীরা মালামাল মজুদ করে রেখেছেন। এছাড়া বিভিন্ন স্পট ইজারা নিয়ে থাকে ইজারাদাররা।

কিন্তু মরণব্যাধী করোনার কারণে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এবার জমে উঠেনি শেরপুরে পর্যটন কেন্দ্রগুলো। এতে এখানকার ইজারাদার ও ব্যবসায়ীরা বেকায়দায় পড়েছে। দর্শনার্থী কমে যাওয়ায় তাদের টাকা তুলতে পারে নাই এবার।

তাই পূঁজি হারিয়ে এখন তারা দিশেহারা। অবকাশ কেন্দ্রের মেইন ইজারাদার শাহজাহান সরকার জনান, লোকজন কম আসায় গাড়ীও খুব আসতাছে। এতে আমাদের টাকা উঠছেনা।

এতে আমাদের ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। দোকানী রোজিনা বেগম জানান, ছাত্র-ছাত্রী না আসায় এবার আমাদের বেচাকেনা নাই। এঅবস্থায় আমরা ঘরভাড়া দিমু কেমনে আর নিজেরাই খামু কি। শিশুদের ভালো লাগার জায়গা এটা একটা। এখানে শিশুরা এসে বেশ আনন্দ পায়। কিন্তু করোনার কারণে তারাও এখানে আসছে খুবই কম। ফলে এখানে আসা শিশুরাও আগের চেয়ে কম আনন্দ পাচ্ছে। শিশু রত্না জানায়, এ গজনী অবকাশটা আমাদের খুব ভাললাগে।

কিন্তু মানুষ আগের তুলনায় এখন কম আসছে। ঢাকা থেকে আসা শিশু ওয়াছেক মাযহার জানায়, এখানে শিশুদের অনেক রাইট আছে।