
আরিফুল ইসলাম,রাঙ্গামাটি: আগামীকাল হতে দুই সপ্তাহ রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা প্রশাসন কতৃক কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। করোনা সংক্রামন প্রতিরোধে রাঙামাটির সকল পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্র প্রাথমিক ভাবে ০২ সপ্তাহের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন।
এছাড়াও আগামীকাল হতে দুই সপ্তাহ ফার্মেসী ছাড়া সকল প্রকার দোকানপাট রাত ৮ টার পর বন্ধ থাকবে। সকল গণপরিবহন ৫০% যাত্রী পরিবহন করবে। পর্যটন স্থান বন্ধ থাকবে, বিদেশী টুরিস্টদের অনুমতি প্রদান বন্ধ করা হয়েছে। স্থানীয় বাজারগুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে বসাতে হবে। করোনা পজেটিভ রোগী অবশ্যই হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিদেশ থেকে আগত সকলকে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে হবে।
আজ দেশে করোনা আক্রান্তের রেকর্ড সর্বোচ্চতে গিয়ে ঠেকেছে।
নতুন রোগী ৫,৩৫৮ জন আর
করোনায় আরো ৫২ জনের।
কোভিড-১৯ মোকাবেলায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের জরুরী সভায় রাঙামাটির সিভিল সার্জন ডা: বিপাশ খীসা জানিয়েছেন, “রাঙামাটিতে করোনা পরিস্থিতি উর্ধগতি, গতকালের থেকে আজকে আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছি। দ্রুতগতিতে লাফিয়ে লাফিয়ে যেনো করোনা সংক্রামণ বেড়েই চলেছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা গত বছর যেভাবে সকলের সহযোগিতা নিয়ে কোভিড-১৯ মোকাবেলা করেছি ঠিক তেমনি ভাবে এবারও করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”
সিভিল সার্জন আরও জানান, “সভা চলাকালীন সময় পর্যন্ত দুই স্থানের পরীক্ষার মধ্যে একটিতে সর্বশেষ ১৫ জন পরীক্ষা করেছে যার মধ্যে ৬ জনের করোনা পজেটিভ। তাই আশঙ্কা করা হচ্ছে বুধবার সংক্রমণের সংখ্যা গত মঙ্গলবারের তুলনায় বাড়বে। যেখানে মঙ্গলবার পজেটিভ ছিলো ১০ জনের। আরেকটি স্থানের রিপোর্ট এলে চুড়ান্ত ফলাফল জানা যাবে।”
করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় একমাত্র উপায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা দাবি জানিয়ে সিভিল সার্জন সকলের প্রতি স্বাস্থ্যবিধি মানার উদাত্ত আহ্বান জানান।
জরুরী সভায় রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান’র সভাপতিত্বে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: মামুন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তাপস রঞ্জন ঘোষ, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শহিদুজ্জামান মহসিন , পৌর কাউন্সিলর, বিভিন্ন গণপরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ সহ সুশিল সমাজের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।





