
মনিরুল মাঝি, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি:
ইয়াস ঘূর্ণিঝড়ে, বুধবার ভরা কোটাল।পূর্ন গ্রহন বিকাল ৫-৭টা পর্যন্ত। ইয়াস সকাল ১০টার দিকে ঔড়িষ্যার বলেস্বরে ১৪০কিলোমিটার বেগে আঘাত হেনেছে।তছনছ করেছে দীঘা,পূর্ব মেদিনিপুর,দক্ষিন ২৪পরগনা,পাখিনালা.সুন্দরবন।আবহাওয়া অফিস বলছে ঘুর্নিঝড় ইয়াস বাংলাদেশে আঘাত হানার সম্ভবনা নেই।তবুও ইয়াসের প্রভাবে প্লাবিত হয়েছে বাগেরহাটের নিম্নাঞ্চল। ১৯৯১ সালে প্রলয়ংকারী ঘুর্নিঝড় পূর্নিমার সময় আঘাত হানায় অপরিসীম ক্ষতি হয়েছিলো।৩০বছর পর এই পূর্নিমার সময় ইয়াস আঘাত হানায় নদ নদীর জল স্বাভাবিক চেয়ে ছয় থেকে আট ফুট বেশি বাড়তে পারে। ঘূর্নিঝড়ের সংবাদে আতঙ্কে্োছে উপকূল বাসী।তবে ঝড় মোকাবেলায় সরকার ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে।পর্যবেক্ষন ও তথ্য সংগ্রহে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। ইয়াসের প্রভাবে মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে দমকা হাওয়া,গুড়ি থেকে মাঝারি বৃষ্টি।বলেশ্বর নদে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে অতিরিক্ত চার -পাঁচ ফুট পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্লাবিত হয়েছে বহু এলাকা। বিদ্যুৎ সংযোগে সমস্যা হচ্ছে। ঝড়ের খবর পেয়ে শরণখোলা ও মোড়েলগন্জে আসেন বাগেরহাট -৪আসনের সংসদ সদস্য আ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন।তিনি সাউথখালী ইউনিয়নেরউত্তর সাউথখালী,খুড়িয়াখালী,তাফালবাড়ী সহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্নন করে জনগনকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলেন।বেড়িবাধের বাইরে রায়েন্দা ইউনিয়নের বলেশ্বর নদের তীরে কদমতলা,সাউথখালীর বগী,চালতাবুনিয়া,সোনাতলা,খুড়িয়াখালী,খোন্তাকাটা ইউনিয়নের রাজৈর এলাকা জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে।রায়েন্দা বাজারের চারপাশে বাঁধ থাকলেও অপরিকল্পিত ড্রেনের কারনে বাজারের অধিকাংশ গলিতে পানি উঠেছে।দুই হাজারের অধিক পরিবার চরম ঝুকিতে আছে এবং অনেক পরিবার আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। মোড়েলগঞ্জের পৌরসভা,সদর বাজার,খাদ্য গুদাম,উপজেলা পরিষদ প্লাবিত হয়েছে।পানগুছি নদীর পানি ৫-৬ ফুট বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীর তীরবর্তী খাওলিয়া,কুমারখালী,সন্যাসী,কাঠালতলা,সানকিভাঙ্গা ,বারইখালী,ফুলহতা,বহরবুনিয়া ,ঘসিয়াখালী জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে।মোংলা বন্দরে কাজ হলেও বন্দরকে নেং স্থানীয় সর্তক সংকেত দেখানো হয়েছে। সংসদ সদস্য,মোড়েলগন্জের উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ শাহ-ই আলম বাচ্চু,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ দেলোয়ার হোসেন অধিক ঝুকপিূর্ন এলাকা ও আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।শরনখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহীন বলেন,শুকনা খাবার,ঔষধ মজুদ সহ আশ্রয় কেন্দ্র গুলো ২দিন আগে খুলে রাখা হয়েছে।মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার বলেন,ইয়াস মোকাবেলায় প্রশাসন সহ রেডক্রিসেন্ট,কোস্টগার্ড সহ সেচ্ছাসেবকরা প্রস্তুত আছে। বাগেরহাট -৪আসনের সাংসদ আ্যাঃ আমিরুল আলম মিলন বলেন, জননেএী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে শরণখোলা ও মোড়েলগঞ্জের ঝুঁকিপূর্ন এলাকা পরিদর্শন করি।দূর্যোগকালীন এবং পরবর্তী সংকট কাটিয়ে উঠতে সরকার জনগনকে সব ধরনের সাহায্য করবে।





