
রাজ-কুমার দেব, রাজারহাট প্রতিনিধিঃ-
খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষেরা কখনো দমে যাবার পাত্র নন। একটু নির্ভরতা পেলে এরা ঠিকই ঘুড়ে দাড়ায়, স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যায়। সরকারের আশ্রয় প্রকল্পের আওতায় মাথা গুজার ঠাঁই পেয়ে এই মানুষ গুলো সেই প্রমাণই রেখেছে। ছন্নছাড়া ভাসমান জীবন মিলেছে সুখের ছোঁয়া। নতুন ঘরের বারান্দায় যেন স্বর্গ সুখের আনন্দ সন্তাদের এমন হাসি আনন্দ মূখর প্রতিটি বাবা মায়ের স্বপ্ন। যদিও কদিন আগেও জীবন ছিল জলে ভাসা পদ্মের মতো। আজ সে জীবন খুঁজে পেয়েছে জীবনের মানে। সীমাহীন দুঃখের কাল পেরিয়ে পেয়েছে নিশ্চয়তা মিলেছে স্বস্তি আনন্দ। জীবনের এই পালা বদলের শুরুটা চলতি বছরের (২৩শে জানুয়ারি) প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে প্রায় ৭০হাজার ভূমিহীন গৃহহীন পরিবারের হাতে ঘর ও জমির দলিল তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। (৬মাস) পরে সেই ঘড়ে আজ নতুন খাট আলমারি সহ নানা আসবাবপত্র। আমাদের সাথে ভুক্তভুগি কিরণ বালা জানান আগে অন্যের জমিতে ছিলাম, এখন শেখ হাসিনা আমাদের ঘর ও জমি দিয়েছেন। জীবন সুন্দর তবে জীবনের সেই সৌন্দর্য অনেক সময় ধরা দেয় না, কোটি টাকা কিংবা অঢেল সম্পদশালীর কাছেও। যেমনটা ধরা দিয়েছে প্রদীপ বিশ্বাসের কাছে টিনের চালা ও জমির মালিকানা পরিবর্তন এনেছে মঞ্জু মিয়ার জীবন বোধে তিনি আরো বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের জমি ও ঘর রেজিস্ট্রারি করে দিয়েছেন। এসব পেয়ে আমি খুশি ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রীকে। অবশ্য ঘর পেয়ে বসে থাকেননি দেবেন মালী ও লক্ষী মালী নানা আয় মূলক কাজে সম্পৃক্ত হয়ে স্বপ্ন বুনছেন আগামীর। দেবেন চন্দ্র মালী জানান ছেলে মেয়েদের লেখা পড়া শিখায়ে মানুষের মতো মানুষ করবো। এই মানুষ গুলোর জীবন মানের উন্নয়নে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সার্বক্ষণিক রয়েছে তদারকি। আশ্রয় প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় ধাপে আগামী (২০শে জুন ) আরো প্রায় ৫৪ হাজার নিরীহ পরিবার পাচ্ছে জমি ও ঘর।





