
দিনাজপুর প্রতিনিধি :মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে একের পর এক মারা যাচ্ছেন দিনাজপুরের যমুনা অটো রাইস মিলে বয়লার বিস্ফোরণে আহতরা। আজ রবিবার সকাল পর্যন্ত মিলের ব্যবস্থাপক রণজিৎ বসাকসহ প্রাণ হারাল আরো দুই শ্রমিক। এ নিয়ে ৪ দিনের মধ্যে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল সাতজনে। আহত আরো ১৪ শ্রমিকের শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটছে বলে জানিয়েছেন দায়িত্বরত চিকিৎসকরা। 
গত বুধবার সকালে দিনাজপুর জেলা সদরের গোপালগঞ্জ হাট (শেখহাটি) এলাকায় যমুনা অটো রাইস মিলে ধান সিদ্ধ করার সময় বয়লার বিস্ফোরণে ২২ শ্রমিকের সাথে দগ্ধ হয়েছিলেন মিলের ব্যবস্থাপক রণজিৎ বসাক। সংকটাপন্ন অবস্থায় তাঁকে শুক্রবার বিকেলে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা মেডিক্যাল করেজের বার্ন ইউনিটে নেন স্বজনরা। আজ রবিবার রাত আড়াইটার দিকে মারা গেছেন তিনি।
এদিকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে আজ সকাল পর্যন্ত আরো দুই শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছেন। ভর্তি আরো ১২ জনের শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটছে বলে জানিয়েছেন ইউনিটের প্রধান চিকিৎসক প্রফেসর মারুফুল ইসলাম। শরীরের দদ্ধ হওয়া অংশে পচন ধরাসহ শ্বাসকষ্টে ভুগছেন তারা।
এ ছাড়াও দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে আরো দুজনের চিকিৎসা চলছে। ওই দুর্ঘটনায় আহত ৩০ জনের মধ্যে ২৩ জনকে দিনাজপুর এবং রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। এদের মধ্যে এ পর্যন্ত সাতজনের প্রাণহানি ঘটেছে। মৃত্যুর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আসংখ্যা করা হচ্ছে ।





