আজ পহেলা বৈশাখ, তবে নেই মিলন মেলা 

0
12

রাজ-কুমার দেব রাজার হাট উপজেলা প্রতিনিধিঃ-আজ পহেলা বৈশাখ। আজ সূর্যের নতুন আলোর সঙ্গে এসেছে নতুন বছর, বঙ্গাব্দ ১৪২৮। ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো…মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা/ অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা।’

 

করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যেই বাঙালির জীবনে আরো একবার এলো পহেলা বৈশাখ।

আজ পহেলা বৈশাখ, তবে নেই মিলন মেলা 
আজ পহেলা বৈশাখ, তবে নেই মিলন মেলা

গত বছরও মানুষ ঘরে আবদ্ধ ছিল, এবারও বৈশাখ বরণে মেতে ওঠা হবে না।

এবারের বৈশাখে নিশ্চয়ই বিশ্ব জুড়ে করোনার সংক্রমণের কারণে যে ‘লকডাউন’ চলছে তা থেকে মুক্ত হওয়ার আহ্বান ফুটে উঠবে সবার প্রার্থনায়।

 

সবার মনে পহেলা বৈশাখের সেই চিরায়ত গান গুঞ্জরিত হলেও এবারে তার আবেদন ভিন্ন। আর এই আশঙ্কার মধ্যেই জাতির জীবনে এসেছে বাংলা নতুন বছর।

প্রতি বছর নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে মানুষ পথে নেমে আসে। সকালের প্রথম আলোয় সঙ্গীত সমাবেশ আর মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে বরণ করে নতুন বছরকে। ভোরে সূর্যের আলো ফোটার সময় থেকেই রমনা বটমূল মানুষের পদচারণায় ভরে ওঠে। এবার সেই প্রাঙ্গণ থাকবে জনশূন্য। এমন অনাড়ম্বর পহেলা বৈশাখ আর কখনোই আসেনি জাতির জীবনে।

 

গতবারের মতো এবছরেও বাংলা নববর্ষের সকালে সুনসান রমনা বটমূল। করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে ছায়ানটের বর্ষবরণের অনুষ্ঠান এবারও হচ্ছে ডিজিটাল মাধ্যমে। ফাইল ছবি

 

 

“ফেব্রুয়ারি মাসে যখন করোনাভাইরাস কমে আসছিল, তখন ভাবছিলাম এবার নববর্ষ উদযাপন করব। নতুন কাপড় পরে সবাই মিলে ঘুরতে বের হব, সবাই আবার একসঙ্গে হব। হই-হুল্লোড় করব। কিন্তু এখন পরিস্থিতি তো আরও খারাপের দিকে গেল।”

 

 

“পহেলা বৈশাখে আগে শপিং করতাম, পান্তা ইলিশ খেতাম, রমনার বটমূলেও যেতাম। এবারও সবই করা যেত পরিস্থিতিটা যদি পক্ষে থাকত। প্রতিদিন মানুষ মারা যাচ্ছে, খবর দেখলেই মন খারাপ হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে উৎসব করার পক্ষে নই আমি। গেট টুগেদার, কাউকে দাওয়াত করা- এসব করব না কোনোভাবেই। কেনাকাটাও করিনি।”