
বিপুল জামান লিখন(নেত্রকোণা প্রতিনিধি) নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক কাজী মোঃ আবদুর রহমান বলেন, কেন্দুয়া অন্তগর্ত রোয়াইলবাড়ি ও

সান্দিকোনা ইউপি’র ‘বেতাই খাল’কে প্রকৃত ভূমি রেকর্ড অনুয়ায়ী ‘বেতাই নদী’ হিসেবে পুণ:স্থাপনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।
এ সময় কাজী মোঃ আবদুর রহমান আরও বলেন, ,বেতাই নদী কিভাবে প্রকল্পে খাল দেখানো হলো সে বিষয়ে যাচাই করা হচ্ছে এবং জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া কীভাবে নদীকে খাল বানানো হয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। নতুনভাবে এই প্রজেক্টের নামও লিপিবদ্ধ করা করা হবে।
কেন্দুয়া উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, ২০২০-২০২১ অর্থবছরে খাল ও পুকুর খনন প্রকল্পের আওতায় বেতাই নদীতে ১৬টি প্যাকেজে ১১ কিলোমিটার বেতাই খাল খননের প্রকল্প প্রহণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। ২ কোটি ৮ লাখ টাকা ব্যায়ে এ প্রকল্পের খনন কাজটি বাস্তবায়ন করছে স্থানীয় ‘বেতাই খাল খনন সমিতি’ নামে একটি সংগঠন।
এর আগে বিভিন্ন সামাজিক মধ্যে নদীকে খালে রুপান্তর করায় এলাকার লোকজন তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়।হেল্পলাইন কেন্দুয়া,হ্দদয়ে কেন্দুয়া ও বিভিন্ন পত্র পত্রিকা লেখালেখি করে মানববন্ধন কর।প্কত ইতিহাস অনুযায়ী বেতাই নদীর নামটি পূণ:সংযোজনের জন্য প্রশাসনের মহতি উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে নেত্রকোনা ও কেন্দুয়া উপজেলার সাধারণ জনগন।





