
মনিরুল মাঝি, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি:
বাগেরহাটে শিশু পরিবার ( বালিকা ),শিশু পরিবার (বালক )এবং বাগেরহাট সেফ হোম এ তিনটি প্রতিষ্ঠানে মোট ১৭০ জন প্রশিক্ষনার্থী বসবাস করে । তাদের উদ্দেশ্য বাগেরহাটে জেলা প্রশাসক আ ন ম ফয়জুল হক বলেন- মা -বাবা এবং অভিভাবকহীন এ বাচ্চা গুলোর কথা যখন ভাবি তখন চোখ ভিজে যায় । এর প্রধানতম একটা কারন আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা পটুয়াখালী শিশু পরিবার সংলগ্ন বাড়ীতে । শিশু পরিবারের সরকারি দেয়ালের কারনে আমার বাবার দেয়ালের খরচ লাগেনি ।ফলশ্রুতিতে আমি সপ্তম শ্রেনী থেকে এস এস সি পর্যন্ত বেড়ে উঠেছি শিশু পরিবারের বালকদের সংগে ।যার মধ্যে একজন বর্তমানে ভোমড়া স্হল বন্দরে কর্মরত । যাই হোক আমি যেহেতু সরকারের পক্ষে এখন তাদের অভিভাবক,সূতরাং আজ রমজানের সময় এ ১৭০ জন বাচ্চাদের জন্য ইফতারের আয়োজন এবং একসংগে ইফতার করা আমার জন্য বিশেষ আনন্দের এবং সম্মানের বিষয় ছিল । আমি একটু সময় সুযোগ পেলেই যাই ওদের কাছে । ওদের গান শুনি, নাচ সহ অন্যান্য কার্যক্রম দেখি । আমার মরহুমা মায়ের কথা মনে করে চোখ ভিজে ওঠে। অল্প বয়সে আমার মা তার মাকে হারিয়ে অনেকটা এতিম বালিকার মত দিন কাটিয়েছে ।বাগেরহাটের সেফ হোমে গিয়ে আমি যখন ধর্ষণের শিকার সন্তান সম্ভাবা শুকমনি নামের মেয়েটার মাথায় হাত রাখি তখন সত্যিকার অর্থেই মনে হয় আমি একজন ব্যর্থ অভিভাবক ।মামলা আর নানা জটিলতায় এক একটা মেয়ে কি মানষিক কষ্টে আছে । আমরা চাইলেও আইনি প্রক্রিয়ার কারনে দ্রুত এগোতে পারছিনা । এ কষ্ট নিদারুন কষ্ট যা আমি বলে বোঝাতে পারবনা।





