ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ

0
28

শুভ মন্ডল কয়রা উপজেলা প্রতিনিধি :কয়রা উত্তরচক আমিনীয়া কামিল মাদ্রাসার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ জামাত নেতা মোঃ মাসুদুর রহমানকে চেয়ারম্যানের নির্দেশে মাদ্রাসা থেকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগে কয়রা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কয়রা সদ‍র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রমূলক ও মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় আওয়ামিলীগ,সহযোগী অঙ্গ সংগঠন, ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্যবৃন্দ ও এলাকাবাসী।

শনিবার ২৩ জুলাই সকাল ১০ টাই উপজেলা আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যলয়ের সামনে মানববন্ধন পরে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি কয়রা সদরেরে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে তিন রাস্তার মোড়ে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মানববন্ধন ও সমাবেশে প্রায় ২৫০০ লোক উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তরা বলেন,মাদ্রাসার সভাপতি কেন্দ্র করে ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে উপজেলা আওয়ামীলের সাধারন সম্পাদক প্রার্থী কেন্দ্র নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একটি প্রভাবশালী মহল জামাতের নেতাকে দিয়ে ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা আওয়ামী লীগ নেতা এস এম বাহারুল ইসলামের নামে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মুলক মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। বক্তারা অনতিবিলম্বে চেয়ারম্যানের নিঃশর্ত মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

উল্লেখ্য, এর আগে উত্তরচক আমিনীয়া কামিল মাদরাসার কমিটিতে চেয়ারম্যানের নাম না দেওয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলাম কয়রার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো: মাসুদুর রহমানকে তুলে এনে ইউনিয়ন পরিষদে পিটিয়ে জখম করে এমন অভিযোগ তুলে ভুক্তভোগী কয়রা উত্তরচক আমিনীয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মো: মাসুদুর রহমান জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। একইসঙ্গে তিনি থানায় অভিযোগ দেন।

শুক্রবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার সময় র‌্যাব ৬ এর একটি টিম এস এম বাহারুল ইসলামকে আটক করে কয়রা থানায় হস্তান্তর করে। কয়রা থানা পুলিশ একই দিন পাইকগাছা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে প্রেরণ করেন। বিজ্ঞ আদালত শুনানি শেষে বাহারুল ইসলামে কারাগারে প্রেরণ করেন।#