
তিস্তার ভাঙ্গন শৈলী
উমর ফারুক
স্তব্ধ মানুষ আমিও তেমন, ভাঙ্গনের কথা কি করিব বর্ণন
শতশত বাড়ি হাজার হাজার জন- হাড়িয়ে বাড়িঘর নিঃস্ব এখন;
বগুড়া পাড়া অস্তিত্বহীন – নামাভরট স্তব্ধ, উৎসুক জনতা করে হাায় হায়
লোকমুখে ছড়ে কথা- দর্শক বাড়ে ভাঙ্গনের গীত গায়।
নদীগর্ভে চলে গেছে শেষ স্বপ্ন-সম্বল, বাকিনাই কিছু আর
পাড় জুড়ে বইছে সেই থেকে মরণের চেয়েও কঠিনতর ঝড়;
আজ চোঁখে নেই পানি- শোকে বুক পাথর
এখানে শোকের মাতম, যারা দেখেছে তারাও হয়েছে কাতর।
স্কুল দুটি পাশাপাশি ছিলো- এক গেছে আগে আর এক গেলো পরে
শিক্ষার আলো জ্বালিয়েছিলো যুগযুগ ধরে;
অবৈধ উচ্ছেদ করে যেমন ম্যাজিস্ট্রেট, নদীও তেমন ঝেড়েছে আক্ষেপ
দেশ দরদী জননেতাগণ নদী খননে তাদের নেই কোনো ভ্রুক্ষেপ।
নদী ভাঙ্গনে চলে গেলো আজ প্রিয়জনের কবর
কান্নার রোল ভাসে থেকেথেকে, কিছুক্ষণ পর আর কেউ রাখেনা খবর;
নদী খনন করবে বলে মোদের কতদিন যে দিয়েছে মিথ্যে আশ্বাস
নদী ভাঙ্গনে নিঃস্ব সবাই দিনেদিনে মরে গেছে সেই বিশ্বাস।।





