পরিষদ (পিসিএনপি) কোন রাজনৈতিক দলের নীতি আদর্শ বা এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেনা

0
23

শতাধিক বছর ধরে পার্বত্য চট্টগ্রামের বৈষম্যের শিকার অবহেলিত বঞ্চিত মানুষের ন‍্যায‍্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় জাতি,ধর্ম,বর্ণ, দল, মত নির্বিশেষে সম্মিলিতভাবে আন্দোলন করে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসী ও বৈষম্য মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ পিসিএনপি’র মূল আন্দোলন বা লক্ষ্য।

পার্বত্য চট্টগ্রামের বিরাজমান সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট নিরসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতৃবৃন্দের উদারতা, নৈতিক সমর্থন, সহযোগিতা ও সু-পরামর্শ সব সময় পিসিএনপির সকল নেতা ও কর্মীরা প্রত‍্যাশা বা কামনা করেন।

পিসিএনপি কে জাতীয় রাজনৈতিক দল সমুহের সম্মানিত কোন নেতা বা কর্মী প্রতিপক্ষ মনে করলে পিসিএনপির প্রতি চরম অবিচার বা বড় ভূল হবে।

পিসিএনপি শুধুমাত্র পার্বত্য চট্টগ্রামের শতাধিক বছর ধরে সাম্প্রদায়িক ভাবে বৈষম্যের শিকার,অধিকার হারা পাহাড়ি-বাঙালী সকল জাতি গোষ্ঠীর সাংবিধানিক ও মৌলিক আইনগত অধিকার তথা মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নিয়মতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। যতদিন পযর্ন্ত সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামের বৈষম্য মূলক আইন কানুন সংশোধন বা বাতিল করে সম অধিকার প্রতিষ্ঠা করবেনা।

পার্বত্য চট্টগ্রামের কিছু উপজাতীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী প্রতিনিয়ত হত্যাকাণ্ড গুম, অপহরণ, চাদাঁবাজি ইত্যাদির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলকে অশান্ত করে চলছে। ফলে পাহাড়ের নিরাপত্তা শান্তি, সম্প্রীতির ও উন্নয়ন ব‍্যাহত হচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি) অশান্ত পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বিক নিরাপত্তা শান্তি সম্প্রীতির ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় সকল রাজনৈতিক নেতৃত্বের সহযোগিতায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিহত ও নির্মূলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসার অপেক্ষায় আছে।

আওয়ামীলীগের ও বিএনপির নেতৃবৃন্দের প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি’র) বিনীত অনুরোধ আমাদের পিসিএনপি’র একমাত্র প্রতিপক্ষ হচ্ছে পাহাড়ের রাষ্ট্র বিরোধী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। যারা পার্বত্য চট্টগ্রাম কে জুম্ম ল‍্যান্ড নামক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখে ও সশস্ত্র সংগ্রাম করছে ও মানুষ হত্যা বা মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে। সুতারাং জাতীয় রাজনৈতিক দল সমূহ পিসিএনপি’কে প্রতিহিংসার চোখে না দেখে পাহাড়ে শান্তি সম্প্রীতি গঠনে একটি সহযোগী, অসাম্প্রদায়িক ও অরাজনৈতিক দল হিসেবে দেখবেন।

অচিরেই পাহাড়ের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে পাহাড়ি বাঙালী জনগণের সার্বিক নিরাপত্তা ও শান্তি প্রক্রিয়ায় বিএনপি ও আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি’র) সাথে আন্দোলনের সহযোগি ও সহযোদ্ধা হবে।