দেশব্যাপী লকডাউনের প্রাক্কালে বাজারে উপচে পরা ভীড়

0
16

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামীকাল ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের জন্য সারাদেশে কড়া লকডাউন করা হচ্ছে শুনে নিত্যপণ্যের বাজারে ভিড় করেছেন সাধারণ মানুষ।

গত দু-তিনদিন ধরেই শহরে তীব্র যানজট লক্ষ করা যাচ্ছে। এছাড়া ব্যাপক লোকসমাগম’র কারণে জনজটও বেড়েছে লক্ষণীয় মাত্রায়।

আজ (১৩ এপ্রিল)থেকে নিয়ে গত বেশ কিছুদিন ধরেই ১৪ এপ্রিলের লকডাউন এবং আসন্ন রমজানকে ঘিরে সকাল থেকে রাত অবধি শহরের বিভিন্ন বাজার এবং শপিংমলে ক্রেতাদের বাড়তি ভিড় লক্ষ করা গেছে।

গতকাল (১২ এপ্রিল) থেকেই বাজার থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি শপিংমল গুলোতেও দেখা গেছে চোখে পড়ার মত ভিড়।

রামরাইল থেকে কোর্টরোড এফ এ টাওয়ারে কেনাকাটা করতে আসা এক গৃহবধূ বলছিলেন, ‘করোনা তো কালকা(আগামীকাল) থেইক্কা,এল্লাইজ্ঞা আজগা মার্কেটে আইছি।

গেছেবার(গত বছর) করোনার লাইজ্ঞা মার্কেট বন্ধ আছিন। এইবার এইল্লাইজ্ঞা(এই জন্য) রিস্ক লইছি না।

সিটি সেন্টার শপিং মলে আসা এক যুবক বলেন, লকডাউন দেয়া হচ্ছে। তখন পরিস্থিতি কী হবে বলা মুশকিল। আবার আগামীকাল থেকে রমজান তাই গতবারের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আগেবাগেই সব কেনাকাটা সেরে নিচ্ছি।

ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধা বানু বেগম বলেন, ভীড়ে শহরে পা ফেলার জায়গা নেই।কাউতলি থেকে মসজিদ রোড আসতে ১ঘন্টা লাগলো। আগামীকাল থেকে ব্যাংক বন্ধ থাকবে তাই সংসার খরচ তুলেই এসেছিলাম আজ।

মসজিদ রোড এলাকার ফল ব্যবসায়ী শিপন মিয়া বলেন, রমজান উপলক্ষে ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে।তবে ফল বিক্রি ভালোই চলছে।কিন্তু আগামীকাল থেকে রাস্তায় বসে ফল বিক্রি করতে পারবেন কিনা জানেন না তিনি।

উল্লেখ্য, এবারের লকডাউন কঠোর হবে জানিয়ে গত শুক্রবার জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন দুদোল গণমাধ্যমকে বলেন,‘যেভাবে করোনা ছড়াচ্ছে তাতে মানুষকে বাঁচাতে হলে কঠোর লকডাউনে যেতেই হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই ১৪ এপ্রিল থেকে ৭ দিনের কঠোর লকডাউনে যাচ্ছি। জরুরি সেবা ছাড়া অন্যসব কিছু বন্ধ থাকবে।