
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি:
পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বিভিন্ন উপজাতি সম্প্রদায়ের লোকজন শত শত বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছে। জেএসএস-ইউপিডিএফের মত তাদের কোন সশস্ত্র সংগঠনও নেই ।তবুও কখনো শুনবেননা বাঙালিরা কারো বাড়িঘর, জমি দখল করে তাদেরকে নির্যাতন করেছে । কিন্তু যতসব বিপত্তি শুধু পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে ! অধিকাংশ মিডিয়াগুলোর অপপ্রচারে হরহামেসাই শুনবেন পাহাড়ে বাঙালিদের দ্বারা উপজাতিরা নির্যাতনের স্বীকার হচ্ছে। সেখানকার বাঙালিদের খেয়েদেয়ে আর কোন কাজ নেই ।তাই তারা সারাদিন শুধুমাত্র উপজাতিদের জায়গা জমি দখল ও নারী ধর্ষণ নিয়েই ব্যস্ত থাকে । বস্তুত, স্বাধীনতার পর থেকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা, সার্বভৌমত্বকে অস্বীকার করা সহ পার্বত্য চট্টগ্রামে যত বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে সবকিছুর মূলে রয়েছে চাকমা উপজাতিদের একটি মৌলবাদী জঙ্গী গোষ্ঠির স্বাধীনতা বিরোধী মনোভাব ।বিশ্লেষণে দেখা যায়, চাকমা সম্প্রদায়ের একটি উগ্রপন্থী গোষ্ঠি ব্যতিত বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলের (সিলেট রাজশাহী, ময়মনসিংহ) মত পার্বত্য চট্টগ্রামেও বাঙালি ও অন্যান্য উপজাতি জনগোষ্ঠির মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান রয়েছে ।যেহেতু চাকমা জঙ্গীদের উগ্রপন্থী ও দেশ বিরোধী চেতনার কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামে স্হায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় সকল চেষ্টা বার বার ব্যর্থ হচ্ছে। সেহেতু, বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠির সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে ও বাংলাদেশের অখন্ডতা-সার্বভৌমত্ব এবং স্বাধীনতা রক্ষার স্বার্থে এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ীভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পাহাড়ের অন্ততপক্ষে দুই লক্ষ উগ্রপন্থী চাকমা উপজাতিকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ সহ স্ব-সম্মানে সমতলে পূনর্বাসন করা হোক । উগ্রপন্থী চাকমাদেরকে সমতলে পুনর্বাসন করা হলে পাহাড় থাকবে নিরাপদ এবং উপজাতি চাকমারা পাবে বসবাসের জন্য শান্তিপূর্ণ আবাসস্থল।





