
রাজ-কুমার দেব, কুড়িগ্রাম (রাজারহাট) প্রতিনিধি:
ঈদ মানে আনন্দ ঈদ মানে খুশি তবে সেই খুশির লেশমাত্র নেই তিস্তাপারের বাসিন্দাদের। অব্যাহত ভাঙ্গনে অন্যান্য দিনের মতো ঈদের দিনটি কাটছে তাদের। সব হারিয়ে অধিকাংশই কোন রকমে আশ্রয় নিয়ে বেঁচে আছে। তাই ঈদের মতো আনন্দের দিনেও অনুশিক্ত তিস্তাপারের বাসিন্দারা। তিস্তার উত্তাল বুকে পানির খলখল শব্দ আকৃষ্ট করতে পারে যেকোনো প্রকৃতি প্রেমীকে কোরবানির ঈদের দিনেও অনেকটা নিস্তব্ধ তিস্তাপারের বাসিন্দারা।ঈদের খুশিতো নেই বললেই চলে। ষাটোর্ধ ভরশা মিয়া বসে আছেন তিস্তা পারে,কোন এক সময় আশপাশের অনেক মানুষ কাজ কাজ করতেন তার বাড়িতে কিন্তু আজ আর সেই দিন নেই, নেই কর্ম তৎপরতা। সর্বস্ব হারানো ভরশার পাশে বসে আছেন আলিম উদ্দিন বসুনিয়া তিস্তার ভাঙ্গনে কিভাবে কেড়ে নিয়েছে বসতভিটা সহ আবাদি জমি সেই গল্পই যেন ব্লান করে দিয়েছে ঈদের মতো খুশির দিনকেও। প্রতিবছর নদীর অব্যাহত ভাঙ্গন যেন নিস্তব্ধ করে দিয়েছে তিস্তা পারের মানুষ গুলোকে। তার উপর গিলতে চলছে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ হাট বাজার। প্রতিবছর যখন বর্ষা আসে তখন এই তিস্তার তীরবর্তী মানুষজন প্রতিনিয়ত ভাঙ্গনের শিকার হয়ে সয়সম্বল হাড়িয়ে পথের ফকিরে পরিনিত হয়। আর প্রতিদিন তাই চাতক পাখির মতো তিস্তা পারে এসে তাকিয়ে থাকে তিস্তার পেটের দিকে।





