নানা অনিয়ম আর দুর্নীতির জন্য, প্রাথমিক দুই শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শিক্ষা অধিদপ্তরে সহকারী শিক্ষকদের অভিযোগ

0
2

রাজীব প্রধান,শ্রীপুর(গাজীপুর) প্রতিনিধি ঃ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার দুই শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির শিক্ষকরা।
গত ১৫ জুন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর এ অভিযোগ দেয়া হয়। শ্রীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার নূর মোহাম্মদ ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সিকদার হারুন অর রশিদের নামে, অনিয়ম ও দুনীতির অভিযোগ এনে শ্রীপুর উপজেলার প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক সমিতির ৭জন শিক্ষকের যৌথ স্বাক্ষরে দেয়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে সরকারের দেয়া স্লীপ বরাদ্দের প্রথম ধাপের কাজ না করেই ওই দুই কর্মকর্তা কতিপয় প্রধান শিক্ষকদের সাথে যোগসাজসে ভূয়া বাউচারে বিদ্যালয়ের একাউন্টে টাকা হস্তান্তর করেন, যা নিয়মবহির্ভূত। স্লীপ বরাদ্দের টাকা দিয়ে দুটি শ্রেণীকক্ষ সুসজ্জিত করণ ও পকেট বোর্ড কেনার কথা থাকলেও ৪মাস অতিবাহিত হবার পরও অধিকাংশ স্কুলে কাজ করা হয়নি। এ কাজ গুলো না করেই ওই দুই কর্মকর্তার যোগসাজশে বাউচার অফিসে জমা রাখা হয়েছে। এবিষয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা বলছেন এধরনের কাজ বহুদিন থেকে চলমান রয়েছে। তাছাড়া তাদের যেভাবে নির্দেশনা দেয়া হয় সেভাবেই কাজ করতে হয়, অন্যথায় নানা ঝামেলার সম্মুখীন হতে হয় তাদের। এছাড়াও অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়,যে

গত মার্চ মাসে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুক্তি মেলা ২০২২ উপলক্ষে মেলার খরচ হিসেবে ওই দুই কর্মকর্তা উপজেলার ১৬৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিটি থেকে এক হাজার টাকা করে উত্তোলন করেন। এবিষয়ে ব্যপক সমালোচনা শুরু হলে কিছু টাকা ফেরৎ দিতে বাধ্য হয় তারা।

শ্রীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার নূর মোহাম্মদ জানান, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ হয়েছে তা তদন্ত করে উর্ধতন কর্তৃপক্ষ যা ব্যবস্থা নেবে তাই মেনে নিব। আর এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই।

গাজীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোফাজ্জল হোসেন জানান, স্লিপের টাকা আত্মসাতের কোন সুযোগ নেই, কাজ না করে ভাউচার দিয়ে যদি টাকা উত্তোলন করা হয় তবে সেটা অনিয়ম। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।