শ্রীপুর পৌর ৪ নং ওয়ার্ডে,বিট পুলিশিং এর -বিট কর্মকর্তা এস আই দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে মাক্স বিতরণ

0
2

রাজীবপ্রধান, প্রতিনিধি,গাজীপুর-ঃ- মাক্স পড়ার অভ্যেস, করোনা মুক্ত বাংলাদেশ।বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর এই স্লোগানে করুনার প্রায় এক বছর পর দ্বিতীয় ধাপের করোনা মোকাবেলায়, জনসচেতনতার লক্ষ্যে কমিউনিটি বিট পুলিশিং এর উদ্যোগে প্রতিটা জেলা -উপজেলা ,মহল্লাতে সর্বসাধারণের সুস্বাস্থ্য কামনা লক্ষ্যে মাক্স বিতরন জনসচেতনতা মুলক আলোচনা ও বাস্তব প্রয়োগ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে ইতিপূর্বে থেকেই।

তারই ধারাবাহিকতায় গাজীপুরের শ্রীপুর থানাধীন, শ্রীপুর পৌর ৪ নং ওয়ার্ডে, সাব-ইন্সপেক্টর দেলোয়ার হোসাইন-( বিট পুলিশিং ৪ নং ওয়াড)এর নেতৃত্ব, করুনা প্রতিরুধে সচেতনামূলক আলোচনা সেমিনার ও মাক্স বিতরন করেন মাক্স বিহীন পথচারীদের মাঝে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন ,পৌর আওয়ামী লীগ নেতা রাশেদুল হাসান রাশেদ, শ্রমিকনেতা আর্যু সরকার , আওয়ামীলীগ নেতা, হাসেম প্রধান সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ।

এস আই দেলোয়ার হোসেন করুনা ভাইরাসের নানাদিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ৮ই মার্চ থেকে সংক্রমণের হার বাড়তে শুরু করে। সেদিন ৮৪৫ জনের দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ সনাক্ত করা হয়।এর মধ্যে ১৪ই মার্চের পর থেকে হঠাৎ করেই সংক্রমণের হার অনেক বেড়ে যায়। সেদিন আক্রান্ত হয় ১,৭৭৩ জন।

বাংলাদেশে হঠাৎ সংক্রমণের হার আবার বেড়ে যাওয়ার পেছনে একাধিক কারণের কথা উল্লেখ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এ বিষয়ে এখনো সরকারি বা কেন্দ্রীয় উদ্যোগে কোন পরিসংখ্যান বা জরিপ, তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণের মতো কাজগুলো করা হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের সাবেক একজন পরিচালক ডা. বে-নজীর আহমেদ মনে করেন, সংক্রমণ হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ার একটা কারণ হতে পারে ইউকে ভেরিয়ান্ট বা যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাসের যে নতুন ভেরিয়ান্ট পাওয়া গিয়েছিল সেটি ছড়িয়ে পড়া।গত সেপ্টেম্বরে যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাসের নতুন ধরনটি সনাক্ত হয়েছিল। বিশেষজ্ঞরা জানান যে, এটি ৭০ শতাংশ বেশি হারে বিস্তার ঘটাতে পারে।

সেই সাথে এটি শিশুদেরও আক্রান্ত করতে সক্ষম। মি. বে-নজীর আহমেদ বলেন এই ভেরিয়ান্টের সংক্রমণ জটিল হওয়ার শঙ্কা বেশি এবং মৃত্যুহারও বেশি।