শ্রীপুরে শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে চিত্রাংকন,কুইজ,উপস্থিত বক্তৃতা,আলোচনা দোয়া ও পুরষ্কার বিতরণ 

0
2

রাজীবপ্রধান, শ্রীপুর গাজীপুর ঃ-গাজীপুরের শ্রীপুরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে

শ্রীপুরে শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে চিত্রাংকন,কুইজ,উপস্থিত বক্তৃতা,আলোচনা দোয়া ও পুরষ্কার বিতরণ 
শ্রীপুরে শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে চিত্রাংকন,কুইজ,উপস্থিত বক্তৃতা,আলোচনা দোয়া ও পুরষ্কার বিতরণ

চিত্রাংকন,কুইজ,উপস্থিত বক্তৃতা,আলোচনা দোয়া ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মোঃ আমজাদ হোসেন (বিএ) কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-শ্রীপুর পৌরসভা।সার্বিক আয়োজনে ৮৯ নং কেওয়া পশ্চিম খন্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়। চিএাংকন ও কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণকারীদের মাঝে পুরুষ্কার বিতরনী করার পাশাপাশি শহিদ শেখ রাসেল এর জীবন ও ইতিহাস সম্পর্কে বিশেষ আলোচনা করেন আমজাদ হোসেন বিএ এবং উপস্থিত থাকা বক্তারা। তারা কোমল মতী শিক্ষার্থীদের নিয়ে নানা বিষয়ে সমসাময়িক আলোচনাও করেন।

 

শেখ রাসেল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ঢাকা অঞ্চলের ধানমন্ডিতে ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধু ভবনে ১৮ অক্টোবর, ১৯৬৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন।পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে রাসেল সর্বকনিষ্ঠ। ভাই-বোনের মধ্যে অন্যরা হলেন বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা , ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর অন্যতম সংগঠক শেখ কামাল, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা শেখ জামাল এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ শেখ রেহানা। শেখ রাসেল ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল ও কলেজের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট প্রত্যূষে একদল তরুণ সেনা কর্মকর্তা ট্যাঙ্ক দিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমণ্ডিস্থ ৩২ নম্বর বাসভবন ঘিরে ফেলে শেখ মুজিব, তার পরিবার এবং তার ব্যক্তিগত কর্মচারীদের সাথে শেখ রাসেলকেও হত্যা করা হয়। শেখ মুজিবের নির্দেশে রাসেলকে নিয়ে পালানোর সময় ব্যক্তিগত কর্মচারীসহ রাসেলকে অভ্যুত্থানকারীরা আটক করে। আতঙ্কিত হয়ে শিশু রাসেল কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেছিলেন, “আমি মায়ের কাছে যাব”।পরবর্তীতে মায়ের লাশ দেখার পর অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে মিনতি করেছিলেন “আমাকে হাসু আপার (শেখ হাসিনা) কাছে পাঠিয়ে দাও”।

ব্যক্তিগত কর্মচারী এএফএম মহিতুল ইসলামের ভাষ্যমতে,রাসেল দৌড়ে এসে আমাকে জাপটে ধরে। আমাকে বললো, ভাইয়া আমাকে মারবে না তো? ওর সে কণ্ঠ শুনে আমার চোখ ফেটে পানি এসেছিল। এক ঘাতক এসে আমাকে রাইফেলের বাট দিয়ে ভীষণ মারলো। আমাকে মারতে দেখে রাসেল আমাকে ছেড়ে দিল। ও (শেখ রাসেল) কান্নাকাটি করছিল যে ‘আমি মায়ের কাছে যাব, আমি মায়ের কাছে যাব’। এক ঘাতক এসে ওকে বললো, ‘চল তোর মায়ের কাছে দিয়ে আসি’। বিশ্বাস করতে পারিনি যে ঘাতকরা এতো নির্মমভাবে ছোট্ট সে শিশুটাকেও হত্যা করবে। রাসেলকে ভিতরে নিয়ে গেল এবং তারপর ব্রাশ ফায়ার।