গরু চুরির ঘটনায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ; নিজ উদ্যোগে হাতে বাঁশি ও লাঠি নিয়ে চলছে পাহাড়া। 

0
26

রাজীবপ্রধান, গাজীপুর ঃ-গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থান ও তার আশপাশের এলাকা থেকে প্রতিরাতেই চুরি হচ্ছে গরু-ছাগল কিংবা মহিষ। কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও বেড়েছে এই চুরি। কিন্তু কোন কোন গরু চোর ধরা পড়ছে আবার কিছু চুরি হয় যা ধরা ছোয়ার বাইরে । এসব চুরির সাথে নিজ এলাকার লোক কিংবা বহিরাগত চুরেরা জরিত থাকে।

গরু চুরির ঘটনায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ; নিজ উদ্যোগে হাতে বাঁশি ও লাঠি নিয়ে চলছে পাহাড়া। 
গরু চুরির ঘটনায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ; নিজ উদ্যোগে হাতে বাঁশি ও লাঠি নিয়ে চলছে পাহাড়া।

 

প্রতিনিয়তই অভিনব কায়দায় চুরি করছে সংঘবদ্ধ চুরের দল। এরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে চুরি করে গুরু নিয়ে যায় অসহায় কৃষক বা গরু খামারীর গরু বা ছাগল মহিশ। চুরি করতে আসা চুরেরা পিকাপ ভ্যান বা প্রাইভেট কার নিয়েও চুরি করে থাকে।

মেইন রাস্তার পাশে কভার ভ্যান বা পিকাপ রেখে সুকৌশলে কৃষকের গোয়াল থেকে গরু চুরি করে এবং আশে পাশে থাকা সকল গরুই চুরির চেষ্টা করে যদি সম্ভব হয়। পরে এগুলি একে একে গাড়ি বুঝাই করে নিয়ে যায়।

 

গ্রামের নিরিহ কৃষক গুলো যখন গভির রাতে গুমে মগ্ন থাকে ঠিক তখনই চুরি হয় তাদের গরু বা মহিশ। কোন কোন সময় চুর ধরা পরলেও থেমে থাকেনা তাদের গরু চুরি কার্যক্রম। শুধু যে গবাদি পশুই চুরি হয় তা নয়, আশপাশে থাকা ছোটখাটো টং বা মুদি দোকানেও বেড়েছে চুরি বা ডাকাতি।

 

ফলে ব্যাংক বা বিভিন্ন এনজিও থেকে উচ্চ সুূদে ঋন নিয়ে যারা ব্যবসায় করছেন তাদের চরম অবস্থার মোখমুখি হতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। সম্পতি এমনই একটা ঘটনা ঘটেছে গোসিংগা ইউনিয়নের কর্নপুর গ্রামে। ঘটনা সুএে জানা গেছে গত একমাস আগে কর্নপুর বাজার সংলগ্ন দুই মুদি দোকানে ঘটেছে চুরির ঘটনা।

 

এতে দোকানিদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ হলেও চুরি ততপরতা কমাতে সক্ষম হয়নি থানা পুলিশ। চুরির ঘটনায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসী নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতি মধ্যেই জোড়দার করেছে নিজ নিজ এলাকায় স্থানীয় পাহারা।

 

বিশেষ এই পাহারা ব্যবস্থার উদ্যোগ নেন গোসিংগা ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং ওয়াডে মেম্বার আবুল হোসেন ব্যাপারি। গ্রাম পুলিশ বিল্লাল হেসেনের ও স্থানীয় দোকান ব্যবসায়ীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় চলছে এসব পাহাড়া। হাতে বাঁশের লাঠি ও বাঁশি বাজিয়ে পাহারা দিচ্ছে স্থানীয়রা।

 

এ বিষয়ে মেম্বার আবুল হোসেন ব্যাপারির একান্ত সাক্ষাৎকারে জানা যায়, সামনে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বেড়ে গেছে চুরি বা ডাকাতি। এ অবস্থায় আমি আমার নির্বাচনি এলাকা কর্নপুর ১ ন ওয়াড এর বাজার নিরাপত্তা বা গরু চুরির প্রবনতা রুদে এই বিশেষ উদ্যোগটি নিয়েছি। এতে সুফলও পাচ্ছি। এভাবে যদি প্রতিটি গ্রামে পাহাড়া বসানো হয় তাহলে চুরির আশঙ্কা অনেকটা কমে যাবে। পাশাপাশি যদি প্রশাসনিক বা পুলিশি সহায়তা যদি পাই তাহলে সম্পুর্ন ভাবে গরু চুরি সহ অন্যান্য চুরি বা ডাকাতি কমে যাবে।

 

এবিষয়ে শ্রীপুর মডেল থানার পুলিশ ইনস্পেক্টর (অপারেশন) গুলাম সারোয়ার সময়ের পাতাকে জানান, চুরির ঘটনায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসী নিরাপত্তা দিতে আমরা সদা ততপর আছি,। পাশাপাশি চুরি প্রবন এলাকা গুলোতে পুলিশ চেকপোস্ট বা বিভিন্ন স্থানে সিসি ক্যামেরাও বসানো হয়েছে।

 

আশা করছি খুব শীগ্রই এসমস্যা খেকে বেড় হয়ে আসবে সাধারন কৃষক বা দোকান ব্যবসায়ীরা। প্রতিটি রাস্তার পাশে পুলিশ চেকপোষ্ট মুতায়নের দাবি ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর।