
আরিফুল ইসলাম,রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি: রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার বরকল উপজেলাধীন ভুষনছড়া ইউনিয়নের এরাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বহুতল ভবন নির্মান কাজের ঢালাই কাজে ব্যাবহৃত হচ্ছে নিম্ন মানের কাঁচামাল।
ওয়াসবিহীন নিম্নমানের কংকর এবং মিশ্রনের নিয়ম যথাযত পালন না করে সবেক বিএনপির প্রভাবশালী নেতা দিদারুল আলম ঠিকাদারের নির্দেশে নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন শ্রমিকরা।
এ বিষয়ে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মো মুরাদ জানান,একাধিকবার নিষেধ করা সত্বেও চার তলা বিশিষ্ট ভবনটির নির্মান কাজে তারা দুই নাম্বার কংকর ব্যবহার করে নির্মান কাজ পরিচালনা করে যাচ্ছেন।এছাড়া তারা ঢালাইয়ের কাঁচামাল মিশ্রনেও ব্যাপক দুর্নীতি করে যাচ্ছেন।
তারা শুরু থেকেই প্রতিটি কাজে কারচুপি করে যাচ্ছেন। বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুস সবুর তালুকদার জানান,এর আগেও একাধিকবার উক্ত ভবনটির নির্মান কাজে দুর্নীতি হয়েছে বলে জানান তিনি।আমরা আপাদত উক্ত কংকর ব্যবহার করে কাজ না করার জন্য তাদেরকে অনুরোধ জানিয়েছি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো ইসমাইল হোসেন জানান,বিদ্যালয়ে ভবনটি নির্মান কাজটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য আমরা যথাসাধ্য সহযোগীতা করার চেষ্টা করছি।কিন্তু নির্মান কাজে জড়িতরা কাজটি সুষ্টভাবে করছেন না।তারা কংকর এবং বালু ওয়াস না করেই তাদের নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
এছাড়া তারা ঢালাইয়ের মশলা মিশ্রনের কাজটিও প্রতিনিয়ত গড়মিল হচ্ছে বলে জানান তিনি নির্মান কাজে জড়িত সাব কন্টাক্টটার আজিবর জানান,দুই কংকর সরবারাহের ক্ষেত্রে তার কোন হাত নেই। উক্ত কাজটির ঠিকাদার মো দিদারুল আলম এ বিষয়ে সম্পুর্ন ধারনা দিতে পারবেন।তিনি বালি ওয়াস না করার বিষয়টাও স্বীকার করেছেন।
উক্ত কাজটির হেড মিস্ত্রি নুরুল ইসলাম জানান,আমরা গতকাল রাতে কংকরগুলো পানি দিয়ে ওয়াস করেছি।সকাল বেলা কাজ করতে গিয়ে দেখি কংকরগুলোর অবস্থা কিছুটা খারাপ।আপাদত আমরা কঙ্করটি ব্যবহার করছিনা।
এ বিষয়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও ভুষনছড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক মো শামসুল আলম জানান,এর আগে উত্তর এরাবুনিয়া জামে মসজিদ এবং অত্র বিদ্যালয়ের আরেকটি ভবন নির্মানের কাজটিও উক্ত ঠিকাদার করেছিলেন।
ভবন দুটির অবস্থা খুবই খারাপ। তিনি এসব বিষয় তুলে ধরার জন্য অনুরোধ জানান।




