চট্রগ্রাম নগরে তপ্ত রোদ, বৃষ্টি নেই, তবুও সড়কে পানি।

0
3

দেবাশিষ গোলদার,চট্রগ্রাম:তপ্ত রোদ, বৃষ্টির দেখা নেই কোথাও। কিন্তু উপকূলীয় এলাকায় বিরাজ করছে দমকা হাওয়া। এর মধ্যে নগরীর নিম্নাঞ্চলসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হঠাৎ হাঁটু পানিতে তলিয়ে গেছে।

চট্রগ্রাম নগরে তপ্ত রোদ, বৃষ্টি নেই, তবুও সড়কে পানি।
চট্রগ্রাম নগরে তপ্ত রোদ, বৃষ্টি নেই, তবুও সড়কে পানি।

গতকাল ঝড়-বৃষ্টিবিহীন অনেক এলাকায় দুপুরের পর থেকে পানি বাড়তে থাকে। বিশেষ করে দুপুর দেড়টার পর জিইসি মোড়, দুই নম্বর গেইট এলাকা পানিতে তলিয়ে গেলে পথচারীদের দুর্ভোগ বেড়ে যায়। নালার ময়লা পানির মধ্যে গাড়িতে উঠতে-নামতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

জানা গেছে, গতকাল আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিকসহ মা ও শিশু হাসপাতালের নিচ তলায় পানি ঢুকে পড়ে। এর আশপাশের এলাকাও পানিতে তলিয়ে যায়। অপরদিকে আছদগঞ্জ শুটকিপট্টি, চাউলপট্টিসহ আশপাশের এলাকা জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়।

এ সময় অনেক ব্যবসায়ীকে দোকানের জিনিসপত্র উপরে তুলে রাখতে দেখা গেছে। আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকার বাসিন্দা মো. সুমন মিয়া। তিনি জানান, সিডিএ আবাসিক এলাকার অনেক জায়গায় হাঁটু পানি ছিল গতকাল। বিশেষ করে ২ নম্বর, ৩ নম্বর ও ৭ নম্বর সড়ক পুরোটাই তলিয়ে যায়।

তিনি জানান, আগ্রাবাদ এঙেস রোড উঁচু করে দেওয়ায় এখন আর মূল সড়কে জোয়ারের পানি দেখা যায় না। কিন্তু আগ্রাবাদ শান্তিবাগসহ আশপাশের অলিগলি আর বাসাবাড়িতে পানি উঠে। এছাড়াও হালিশহর আবাসিক এলাকা প্লাবিত হয়েছে জোয়ারের পানিতে।

এদিকে চান্দগাঁও এলাকার বাসিন্দা মো. লোকমান বলেন, ওই এলাকার পাটানিয়া গোদা ও বরিশাল বাজার এলাকা জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া বাকলিয়াসহ বেশ কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয় এদিন।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ ফরিদ আহমদ বলেন, এখন পূর্ণিমা চলছে। তার ওপর ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে বাতাস হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় বায়ু চাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করায় পূবালী বাতাসের সাথে পূর্ণিমার জোয়ারে বেড়েছে পানির উচ্চতা। পূর্ণিমার প্রভাবে আজ শনিবারও উপকূলীয় এলাকাসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হবে। রবিবার থেকে তা কমে যাবে বলে জানান তিনি।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানায়, গতকাল শুক্রবার কর্ণফুলী নদীতে জোয়ার শুরু হয় সকাল ৯টা ৪৭ মিনিটে, ভাটা শুরু হয় ২টা ৪৭ মিনিটে। এদিকে জোয়ারের উচ্চতা ছিল ৪ দশমিক ৯৮ মিটার, যা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি।