খুলনা ও বাগেরহাটে বিডিইআরএম এর বিশ্ব মানবিক মর্যাদা দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন

0
3

শুভ মন্ডল-নিজস্ব সংবাদ দাতা:

খুলনা ও বাগেরহাট জেলায় বিডিইআরএম এর জেলা শাখার আয়োজনে বিশ্ব মানবিক মর্যাদা দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। খুলনার শিব বাড়ি মোড় ৬ ডিসেম্বর সকাল ১১ টা এ বিডিইআরএম এর খুলনা জেলা শাখার সভাপতি সুব্রত কুমার মিস্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। জাত-পাত ও বৈষম্য প্রতিরোধে প্রস্তাবিত বৈষম্য বিলোপ আইন দ্রুত প্রণয়ন করতে হবে।আইন কমিশনের সুপারিশ কৃত বৈষম্য বিলোপ আইন-২০১৪ পাশ ও দলিত জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি জানান সমাবেশে আসা বক্তারা। প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব শেখ আব্দুল হালিম, সভাপতি জাতীয় মানবাধিকার ইউনিট খুলনা মহানগর শাখা। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন আজ বিশ্ব মানবিক মর্যাদা সমাজের আর ১০ জন মানুষের মতো সম-মর্যাদা সম্মান পাওয়ার অধিকার দলিত জনগোষ্ঠীর আছে!কিন্তু বাস্তবতা রূপ ভিন্ন।আমরা দলিতদের সকল প্রকার বৈষম্য নিরসন করে সম মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আন্দোলন করে যাবো,আর এটা বাস্তবায়ন না হলে আমাদের স্বাধীনতার উদ্দেশ্য সফল হবে না। তিনি আরো বলেন না যাদের জন্য আমরা বাবু,হয়েছি যাদের জন্য রাস্তাঘাট দুর্গন্ধমুক্ত হয়েছে, পরিবেশ দূষণমুক্ত হয়েছে,সেই সমস্ত মানুষের প্রতি আমরা বৈষম্য তৈরী করি,সরকারের কাছে আমরা জোর দাবি জানাই জাতপাত ও পেশা ভিত্তিক বৈষম্য প্রতিরোধে প্রস্তাবিত বৈষম্য বিলোপ আইন দ্রুত প্রণয়ন করতে হবে আইন কমিশনের সুপারিশ কৃত বৈষম্য বিলোপ আইন -২০১৪ পাস ও দলিত জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে বরাদ্দ বৃদ্ধি সহ অবিলম্বে তাদের ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য আহ্বান জানান। যেখানে বাংলাদেশের সংবিধানের জাতি-ধর্ম-বর্ণ সকল মানুষের সমঅধিকারের সমমর্যাদা কথা বলে সেখানে দলিত জনগোষ্ঠীর এখনো বৈষম্যের শিকার হয় এই বৈষম্য দূর করতে হলে,পিছিয়ে পড়া দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর সকল ক্ষেত্রে কোটা ব্যবস্থার প্রবর্তন করতে হবে।দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে পিছনে রেখে ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়নের (এসডিজি) লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা যাবে না।এ ছাড়াও সরকারের কাছে দলিত নেতৃবৃন্দ দাবি জানান সারা বাংলাদেশে দলিত সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন, ঘরবাড়ি ,মন্দির-ভাঙচুর হুমকি-ধামকি,ধর্ষণ অপহরণ বন্ধ করে দোষীদের গ্রেপ্তার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। দলিত জনগোষ্ঠীর প্রকৃত উন্নয়ন ঘটাতে হলে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ কয়েকগুণ বাড়ানোর দাবি করেন দলের জনগোষ্ঠীকে পিছিয়ে ফেলে সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে না। উক্ত মানববন্ধনে বক্তা হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন,হরিচাঁদ দাস কোষাধ্যক্ষ,রাজেন রবিদাস,পরিণীতা দাস,শিবু বিশ্বাস,সাধারণ সম্পাদক,তেরোখাদা,শিব পদ দাস,গীতা দাস,লক্ষ্মী দাস,লাক্ষী আজমীর,বুলু রানী দাস,জয়দেব দাস সভাপতি বটিয়াঘাটা উপজেলা,জয়ন্ত দাস,পলাশ জোদ্দার প্রোগ্রাম অ্যান্ড ফিনান্স অফিসার,নাগরিক উদ্যোগ প্রমূখ।