পরীমনি আদালতেই এক যুবককে জড়িয়ে ধরেন

0
26

অনলাইন ডেক্স: বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মামুনুর রশিদ তাদের বিরুদ্ধে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

#পরীমনি

পরীমনিকে কঠোর নিরাপত্তা দিয়ে আদালতে তোলেন পুলিশ সদস্যরা। এ সময়ে তাকে একনজর দেখার জন্য আইনজীবীরা ভিড় করেন।

মদ খেতে গিয়েছিলাম, এটা কি সম্ভব: পরীমনি

আদালত কক্ষ ভর্তি হয়ে যায় আইনজীবী ও উৎসুক লোকদের ভিড়ে। পরে পরীমনিকে এজলাসের আসামির ডকে তোলার সঙ্গে সঙ্গে সাদা শার্ট পরা এক যুবককে জড়িয়ে ধরেন তিনি।

সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ সদস্যরা ওই যুবককে সরিয়ে দেন। এরপরে নারী পুলিশ সদস্যরা পরীমনিকে ঘিরে ফেলেন।

মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বিচারক মো. মামুনুর রশিদ আসন গ্রহণ করলে আইনজীবীদের মধ্যে মামলা পরিচালনা নিয়ে বিবাদ বাধে। অনেকে পরীমনির মামলা করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এ সময় ঢাকা বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান খান রচি ও গোলাম কিবরিয়া জোবায়ের মামলা পরিচালনা করতে চান।

অপরদিকে অ্যাডভোকেট নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভীও মামলা পরিচালনা করতে চান। আইনজীবীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও ঝগড়া-বিবাদ শুরু হয়। পরে বিচারক হট্টগোলের মধ্যে এজলাস ত্যাগ করেন।

বিচারক পরীমনিকে তার আইনজীবীর বিষয়ে বললে তিনি নীলাঞ্জনা রিফাতকে দিয়ে মামলা পরিচালনা করার কথা বলেন। এরপরে বিচারক আবার এজলাসে উঠলে শুনানি শুরু হয়।

শুনানির সময় পরীমনি মুখে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আদালতে পুরোটা সময়জুড়ে পরীমনিকে বিমর্ষ দেখা গেছে।
শুনানির শুরু থেকেই পরীমনি আদালতে নিশ্চুপ ছিলেন। তার চোখে মুখে হতাশার ভাব ছিল।

তার সহযোগী রাজকে স্বাভাবিক থাকতে দেখা গেছে। আদালতে রাজ তার আইনজীবী ও বিভিন্ন লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছেন কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে। কিন্তু পরীমন নিশ্চুপ ছিলেন।

শুনানি শেষ হয় রাত ৯টা ৮মিনিটে। শুনানি শেষে পরীমনিকে আদালতের এজলাস থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। সূত্র জানায়, আদালতে ৪২ মিনিটের পুরোটাই চুপ ছিলেন পরীমনি।

অভিনেত্রীকে উপস্থিত করার আগেই আদালত পাড়ার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ।