
প্রদীপ কুমার রায়, লালমনিরহাট প্রতিনিধি: আদালতের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদ আল সোহানের নেতৃত্বে ১১ দিন পর আজ বেলা ১১ টায় লালমনিরহাট পৌরসভার সাপটানা কবর স্থান থেকে আব্দুল জলিলের মৃত দেহ উঠানো হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ-সার্কেল) মারুফা জামান, লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহা আলম, লালমনিরহাট সদর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মাহমুদুন নবী ও লালমনিরহাট পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রবিউল ইসলাম আউয়ালসহ উৎসুক জনতা।
উল্লেখ, গত ২২ জুলাই লালমনিরহাট পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের মাঝাপাড়া এলাকার কাঁচামাল ব্যবসায়ী আব্দুল জলিলের মৃত্য হয়। পরের দিন সকালে লোকজনকে আব্দুল জলিলের স্ত্রী মমিনা বেগম বলেন তার স্বামী স্ট্রোক করে মারা গেছেন।
পরে নামাজের জানাজা শেষে তাকে কবরে দাফন করা হয়। গত ২৪ জুলাই বিকালে মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করে বাড়িতে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয় সেখানে মরহুমের স্ত্রী এবং মরহুমের বড় ভাই আব্দুর রশিদের সাথে কথা কাটা কাটি হয়। এক পর্যায়ে আব্দুর রশিদের সন্দেহ হলে গত ২৫ জুলাই লালমনিরহাট পুলিশ সুপার ও লালমনিরহাট সদর থানা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
তারপর আব্দুল জলিলের স্ত্রী মমিনা বেগম ও স্থানীয় ঔষধ দোকানদার গোলাম রব্বানীকে গত ২৭ জুলাই দুপুরে পুলিশ নিয়ে যায়। সেখানে মমিনা ও রব্বানী দু’জনেই জলিলকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে। তাদের পরকীয়ার কারনে এই হত্যা করেছে বলে জানা যায়।





