
শফিকুল ইসলাম শফি, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম জেলা শহরের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মজিদা আদর্শ ডিগ্রী কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক (স্নাতক পর্যায়ের) মোছাঃ ইফফাত আরা সরকার ভুয়া ও জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদে নিয়োগপ্রাপ্ত ও পরবর্তীতে এমপিও ভুক্ত

(মান্থলি পেমেন ওর্ডার) হয়ে দীর্ঘ ১২ বছর যাবৎ শিক্ষকতা করছেন এবং নিয়মিত বেতন-ভাতাদিও উত্তোলন করে আসছেন বলে সনদ যাচাই-বাছাইয়ে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) সনদ যাচাই-বাছাইয়ে নিশ্চিত হয়েছে।
গত ৮ আগস্ট বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এর ওয়েব সাইটে এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। স্মারক নং ৩৭.০৫.০০০০.০১০.০৫.০০২.২০.৫০০, তারিখঃ ০৮.০৮.২০২১ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের দাখিলকৃত ৫ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা,২০০৯ এর (রোলঃ ৪০৮১০৪৪০, রেজিঃ ৯০০০৬৬৫৮) সনদটি সঠিক নয়। সনদটি জাল ও ভুয়া। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বর্ণিত তালিকায় সনদধারী জাল/জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন মর্মে দালিলিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে বিধায় উক্ত জাল ও ভুয়া সনদধারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করে অত্র প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি কলেজের অধ্যক্ষ ও সংশ্লিষ্ট থানার ওসিকে পাঠানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে প্রকৃত সনদধারীর নাম ও ঠিকানাও উল্লেখ করা হয়েছে।
মজিদা আদর্শ ডিগ্রি কলেজের গভর্ণিংবডির সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলাম টুকু বলেন, গতকাল(১৭ আগস্ট) গভর্ণিংবডির মিটিং এ সনদ জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে এবং সর্বসম্মতিক্রমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অধ্যক্ষ সাহেবকে ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে।
মজিদা আদর্শ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ খাজা শরিফ উদ্দিন আলী আহমেদ রিন্টু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সময়রেপাতা.কম-কে জানান, এনটিআরসিএ’র পত্রের ব্যাপারে আমরা অবগত হয়েছি।এনটিসিএ এর নির্দেশ মোতাবেক মঙ্গলবার(১৭ আগস্ট) গভর্নিংবডির সভায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।





