সুন্দরবনে আগুন লেগেছে দুই মাস হতেনা হতে পুনরায় আবার

0
2

মোঃমনিরুল মাঝি বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
বাংলা প্রকৃতির মধ্যে বড় রূপময়তায় গেরা সেই বাগেরহাটের সুন্দরবন –
গত সোমবার (৪ মার্চ) দুপুরে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের দাসের ভরানি এলাকায় এ আগুন লাগে।

মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলা রেঞ্জের ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট, বন বিভাগের কর্মী ও স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। ৮ ফেব্রুয়ারী লাগা আগুনে সুন্দরবনের তিন শতাংশ বনভূমি পুড়ে যায়।

২০ বছরে সুন্দরবনে অন্ততঃ কমপক্ষে ২৩-২৫ বারের মতো আগুন লাগে। এতে ধ্বংস হচ্ছে সুন্দরবনের জীব বৈচিত্র। মরা যাচ্ছে বন্য প্রাণীরা। প্রতিবার আগুন লাগার পর তদন্ত কমিটি গঠন, আগুনলাগার কারণ অনুসন্ধান,ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নির্নয়ের কথা বলা হয়। তবে তদন্ত প্রতিবেদন ও দূর্ঘটনা এড়াতে করা সুপারিশ বাস্তবায়িত হয়না।

ঘটনাস্থলে থাকা সুন্দবন পূর্ব বন বিভাগের ডিএফও বেলায়েত হোসেন তাৎক্ষনিক ভাবে আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্নয় করতে পারেনি।শরনখোলা স্টেশন কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বলেন গ্রাম বাসি বনে মধ্যে আগুন দেখে আমাদের খবর দিলে আমরা,গ্রামবাসী, সিপিজি সদস্য,বনবিভাগের ধানসাগর ও ভোলা ক্যাম্পের সদস্যদের নিয়ে ২-৩একর জুড়ে আগুনলাগা বনভূমির চারপাশে ক্যানেল কেটে আগুন নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করছি।

সুন্দরবন সহ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাবেক সভাপতি ও রায় ন্দা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলন বলেন সুন্দবনে ২৩-২৫বার আগুন লাগলো।তদন্ত কমিটি দায়সারা গোছের তদন্ত করে যা আলোর মুখ দেখেনা।আমরা সুন্দরবনকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ চাই।

সুন্দরবনে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর স্মার্ট পেট্রলিং ব্যবস্থা থাকার পরেও জেলে বনজীবীদের প্রবেশ নিষেধ করেো রক্ষা করা যাচ্ছে না মাছ,বাঘ,হরিণ শিকার।স্বাভাবিক ভাবে প্রশ্ন জাহে বন বিভাগের প্রতি।এভাবে বার বার আগুন লাগলে অক্সিজেনের ভান্ডার খ্যাত সুন্দরবনের অফুরন্ত ক্ষতি হবে।দক্ষিনাঞ্চলকে বারবার প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের হাতথেকে রক্ষাকারী সুন্দরবনকে বাঁচিয়ে রাখতে স্থানীয় এলাকা বাসী প্রশাসনেন হস্তক্ষেপ কামনা করে।