লকডাউনে বাগেরহাটে চিংড়ী চাষ বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে

0
4

মোঃ মনিরুল ইসলাম (মুন্না) জেলা প্রতিনিধি:  বাংলাদেশে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের সবচেয়ে বড় গলদা চিংড়ি/বাগদা চাষ খুলনা, বাগেরহাট, চিতলমারী, ফকিরহাট ও রামপাল।

এখন চলছে গলদা চিংড়ি ও বাগদা পোনার হাট। বাগেরহাট ফকিরহাটের ফলতিতা ও ফয়লা বাজার পোনা পাইকারি হাট মেলে। প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলে গলদা/বাগদা পোনার বেচাকেনা।

এই পাইকারী বাজারে এবার করোনার লকডাউনে কক্সবাজার, নোয়াখালী, ভোলা, কুয়াকাটাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পরিবহন গুলো নানা বাধার সম্মুখীন হচ্ছে পোনা সংকট ও দামও চড়া হয়েছে ।চাষীরা বলছে হ্যাচারির চেয়ে প্রাকৃতিক উৎস নদী থেকে আহরণ করা পোনার গুনা গতমান ভালো বলে দাবি করেন চাষি ও দোকান আড়ৎদাররা।

প্রতিদিন ভোর থেকেই বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকার চিংড়ি চাষিরা ছুটে আসেন,এই পাইকারী বাজারের।
ফয়লা বাজার, ফকিরহাটের ফলতিতা গলদা/বাগদা চিংড়ির পোনার হাটে। কক্সবাজার, নোয়াখালী, ভোলা, কুয়াকাটাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হ্যাচারি ও নদীর পোনা পরিবহনের মধ্যে আসে এই হাটে।

এবার করোনার কারণে লকডাউনে পোনাবাহী পরিবহনগুলো পুলিশ ও প্রশাসনের নানা বাধার সম্মুখীন হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ব্যবসায়ীরা । এ কারণে গলদার /বাগদার পোনা সংকট ও দাম ও চড়া রয়েছে।

যেখানে গত বছর চাইতে ও এবার পোনার দাম অনেক বেশি।
। তবে হ্যাচারির পোনার চেয়ে প্রাকৃতিক উৎস নদী থেকে পাওয়া পোনার গুনগতমান ভালো বলে দাবি করেন চিংড়ি চাষিরা। সময় মতোন ঘেরে পোনা ছাড়ার জন্য নানা সমস্যা দূর করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান চাষীরা।

বাগেরহাট জেলা নিরিহ চাষীদের একটা দাবি পোনা সরবরাহের ক্ষেত্রে সরকারের আন্তরিকতার সাহায্যর প্রয়োজন বলে দাবি করেন।

চাষীরা আর জানান, বাগেরহাটের ফয়লা বাজার ও ফকিরহাটের ফলতিতা বাজার গলদা/বাগদা পোনার আড়ৎ থেকে প্রতিবছর( ৫০-১০০) কোটি চিংড়ি পোনা বিক্রি হয়।
সরকারের কাছে আকুল আবেদন চিংড়ী চাষীদে বাঁচান।