বাগেরহাটে শ্রমিকের মূল ৯০০ টাকা ধানের মূল ৭৮০টাকা

0
0

মোঃমনিরুল ইসলাম মুন্না বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি। রূপকথার মতোন আমাদের এই সোনালী বাংলাদেশ। বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলারয় সহ পার্শ্ববর্তী জেলা সমূহে উঠতে শুরু করেছে গরমের ধান।

বাগেরহাটে শ্রমিকের মূল ৯০০ টাকা  ধানের মূল ৭৮০টাকা
বাগেরহাটে শ্রমিকের মূল ৯০০ টাকা ধানের মূল ৭৮০টাকা

কিছুদিন আগে গরম বাতাসে এবং কারেন্ট(মৌয়া)পোকার আক্রমনে ধানের কিছু ক্ষতি হলেও ধান পাকায় জমি মালিক সহ বর্গা চাষীদের মনে খুশির জোয়ার।কিন্ত সেই আনন্দে ভাটা পড়তে পারে এমন চিন্তা কৃষকদের।

গত বছর শুরু হওয়া মহামারী করোনার কারনে এ বছরো ধান কাটার সময় চলছে লকডাউন।২য় স্টেজ মোকাবেলা করতে সরকার হিমশিম খাচ্ছে।ধান কাটা শ্রমিকের ভয়াবহ সংকট চলছে শ্রমিক বিক্রয় হাটসব চাইতে বড় ফকিরহাটে।ধান কাটা তেমন শুরু না হলেও বছরের এমন সময় হাটে আসে বিভিন্ন বয়সের কিষানরা।বাজারে গিয়ে দেখা গেছে এবকর তার চিত্র উল্টো।

গায়ে মানুষ বাঁধে না।বছর দুই আগে বাজারে ঢুকতে কষ্ট হলেও এবার ভিন্ন চিত্র।তবে যারা বাজারে আসছে তাদের মূল্য অনেক বেশী।একজন দিন মজুরের দাম ৮০০-৯০০ টাকা।অথচ বর্তমানে এক মন ধানের দাম ৭৫০–৭৮০টাকা।চিতলমারী এক স্থানীয় চাষী মোঃছলেমান মাঝি জানায় এতো কিষানের দাম হলে সামনের বছর ধান চাষ কমে যাবে।সব খরচ বাদে লাভের মুখ দেখা কষ্টকর হবে।তার সাথে কথা বলে স্থায়ী কৃষক অনেক।

শ্রমিকের দাম এতো বেশী কেন জিজ্ঞাসা করলে আকপটে স্বীকার করে বলে ভাই বাজারে উঠতে আমাদের অনেক ভাড়া দিতে হয়েছে। করোনার সময় বাস গাড়ী চলছে না।ইজিবাইক,নসিমন,ভ্যান,মটরসাইকেলে ভাড়া দ্বিগুন।তাও পাওয়া যায় না।ভাই কি করবো,গরীব মানুষ দুইডা টাকার জন্যতো আমরা পরিবার ফেলে আসি আপনাদের কাছে।

ধান কাটা শ্রমিকরা বলেন আমরা বাজারে আসার সময় বেশী ভাড়া দিয়েছি তাই দাম বেশি চাচ্ছি।আমাদের ও লজ্জা করে এত দাম চাইতে।দর কষাকষির মধ্যে এক সপ্তাহ বা তার বেশি সময় কোন মাহাজনের বাড়ি যাই।

 

যে সব মানুষেন ধান আগে পেকেছে তাদের শ্রমিক পেতে সমস্যা হচ্ছে।

চিতলমারী কৃষি আফিস সূত্রে জানা গেছে এ বছর চিতলমারী উপজেলায় একাধিক কোম্পানির ধান রোপন করেছে।চিতলমারী উপজেলায় ৭ ইউনিয়নে ২১ টি ব্লকে ২৮,৫২৮ একর জমিতে হাইব্রিড ও ৩৮৩ একর জমিতে উফসী জাতেন ধান চাষ করা হয়েছে। উপজেলায় ৩০ হাজার পরিবার ধান চাষের সাথে জড়িত।তবে শ্রমিক অনেক সংকটের কথা শুনেছি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন ধান কাটার সময় শ্রমিকদের জন্য সব যানবাহনে তারা আসতে পারবে।তাদের পথে কোন মতে হয়রানি করা যাবে না।