বাবা দিবসে বাবাকে নিয়ে দীপু আহসানের লেখা গল্প প্রকাশিত হচ্ছে “বাবা বৃক্ষ” বইয়ে

0
14

 রাসেল মাহমুদ, লালমনিরহাট (পাটগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার মির্জারকোট গ্রামে ১৯৯৮ সালে একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে দীপু আহসান জন্মগ্রহণ করেন । তার পিতা মোঃ দুলাল হোসেন এবং মাতার নাম রেহেনা বেগম। তিনি রংপুর সরকারি কলেজে বাংলা বিভাগে (১৭-১৮) সেশনে অধ্যায়নরত। অপরদিকে তিনি একজন সাংবাদিক। দৈনিক দুরন্ত ও বেশ কয়েক পত্রিকায় কাজ করে আসছেন। এদিকে লালমনিরহাট রিপোর্টার্স ইউনিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে খ্যাতি অর্জন করে চলেছেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেন। ব্যক্তি হিসেবে তিনি একজন সচেতন নাগরিক ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি। এছাড়াও লেখকের ভাল একটি হৃদয় রয়েছে, প্রেমময় হৃদয়। তিনি ছোট বড় সবার প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং দয়ালু। অন্যদের তিনি সহানুভূতির সঙ্গে বিচার করেন। জীবনের ছোট ছোট বিষয়গুলোর প্রশংসা করতে লেখক খুবই ভালোবাসেন। ৯ম শ্রেণীতে থাকাকালীন দীপু আহসান হাতে খড়ি অর্জন করেছিলেন। এর আগেও তার লেখা গল্প, কবিতা ও কলাম বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ম্যাগাজিন ও পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। তার লেখার মধ্যে- নীল খামের চিঠি, আমি ডাক্তার হতে চাই, হাসি, বেচে থাকতে চাই, বাবার পাঞ্জাবি ইত্যাদি অন্যতম। “বাবা বৃক্ষ” বইটি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে দীপু আহসান জানান, বেশ কিছু দিন আগে বাবা দিবসকে সামনে রেখে “বাবা বৃক্ষ” পরিবার সারা দেশে শর্ত সাপেক্ষে বাবাকে নিয়ে গল্প, কবিতা, স্মৃতিচারণমুলক লেখা আহবান করেছিলেন। তারপর তিনি স্বল্প সময়ের মধ্যে বাবাকে নিয়ে একটি গল্প লিখেন এবং সেখানে পাঠিয়ে দেন। সারাদেশে হাজার হাজার লেখার মধ্যে দীপু আহসানের লেখা নির্বাচিত হবে কিনা এ নিয়েও তিনি শুল্কায় ছিলেন। অবশেষে তিনি নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে জানতে পারেন তার লেখাটি বাবা বৃক্ষ বইয়ে চান্স পেয়েছে এবং বইয়ের ১৫০+ লেখার মধ্যে তার লেখা ৭ নং সিরিয়ালে জায়গায় করে নেয়। এই খবর শোনার পর সাংবাদিক দীপু আহসান তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে এ বিষয়ে একটি পোস্ট করেন। এরপর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিভিন্ন গুণী মানুষ দীপু আহসানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। পরে দীপু আহসান নিজেও তার লেখা “বাবার পাঞ্জাবি” শিরোনামে গল্পটি পড়ার আহবান জানান। পরবর্তীতে তিনি যেন আর নতুন কিছু সবাইকে উপহার দিতে পারেন সেজন্য সবার কাছে দোয়া ও ভালোবাসা চেয়েছেন।