রফিকুল ইসলামের ফোনে মিলেছে পর্নো ভিডিও

0
1

মোন্তাজুর রহমান(স্টাফ রিপোর্টার): শিশু বক্তা হিসেবেই রফিকুল ইসলাম সকলের কাছে পরিচিত। গ্রেপ্তার হবার পরে বেরিয়ে আসছে একের পর এক তথ্য। বক্তা হিসেবে যেমন আলোচিত ঠিক তেমনি ব্যক্তির ব্যক্তিজীবনও বেশ আলোচিত ও সমালোচিত ।

তার ফোন মিলেছে বেশ কিছু পর্নো ভিডিও পাওয়া গেছে। বুধবার দুপুরে গ্রেপ্তার করা হয় ২৬ বছর বয়সী শিশু বক্তা রফিকুল মাদানীকে, তারপর বিকেলে তার বিরুদ্ধে গাজীপুরের গাছা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আনে মামলা হয়। র‌্যাবের একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, রফিকুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

র‌্যাব জানিয়েছে তার ফোনে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু পর্নো ভিডিও পাওয়া গেছে। আসমা বেগম নামের এক নারীকে তিনি বিয়ে করেছেন বলে যে দাবি করেছেন তা নিয়েও নানা তথ্য পাওয়া গেছে।

ওই নারীর সঙ্গে রফিকুলের সামাজিকভাবে বিয়ে হয়নি। সেই বিয়ে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে । তার নিজের তথ্যমতে তিনি ১৯৯৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন । তথ্য পাওয়া গেছে ,রফিকুল ইসলামের বাড়ি নেত্রকোনায়। স্থানীয় স্কুলে শিক্ষাজীবন শুরু করেন পরে তিনি মাদ্রাসায় ভর্তি হয়ে নূরানি ওরফিকুল ইসলাম মাদানী হেফজ পড়েন। এরপর তিনি কিতাবখানায় পড়ালেখা করেন।

মাদ্রাসার ছাত্র থাকার অবস্থায় তিনি বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি রাজধানীর জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা মাদ্রাসায় পড়ালেখা করেন । একই সঙ্গে তিনি বিএনপি-জামায়াত জোটের শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের অঙ্গসংগঠন যুব জমিয়তের নেত্রকোনা জেলার সহসভাপতি পদে ছিলেন। রফিকুলের নামের শেষে ‘মাদানী’ শব্দ যুক্ত করা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে।

সাধারণত সৌদি আরবের মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা লেখাপড়া করেন, তাদের নামের সঙ্গে ‘মাদানী’ ব্যবহার করে থাকেন। অভিযোগ, ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা না করেই তিনি নিজের নামের শেষে ‘মাদানী’ যুক্ত করেছেন। বিতর্কিত বক্তা হওয়ায় রফিকুল ইসলামকে ওয়াজকারী বক্তাদের সংগঠন রাবেতাতুল ওয়ায়েজিন বাংলাদেশের সদস্য করা হয়নি।

বরং সংগঠনটির পক্ষ থেকে তাকে বিভিন্ন সময় অপ্রাসঙ্গিক বক্তব্য না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সূত্র:  সময়টিভি