জৈষ্ঠের প্রখর গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন

0
15

রাজীবপ্রধান,গাজীপুর ঃ-একদিকে জৈষ্ঠ্যমাস পাকা আর মিষ্টি ফলের রসে পূর্ণ সময়। এই মাসে মৌসুমি মিষ্টি পাকা ফলের গন্ধে একাকার হয় দেহ ও মন । কিন্তু প্রখর সূর্য তাপ আর গরমের কারনে জনজীবন হয়ে পরেছে অতিষ্ঠ প্রায়।

মৌসুমি জলবায়ুর কারণে জৈষ্ঠ্যমাসে গরম বাড়বে। জৈষ্ঠ্য ৯ দিন পেরিয়ে আসার পর এখন সেই গরমের অস্বস্তিতে পড়েছে সারাদেশ। আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাসে বলা হয়— মৌসুমি বায়ু ভারতের পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এর একটি বর্ধিতাংশ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

আবহাওয়া অফিসের দেওয়া তথ্যমতে, দেশের তাপমাত্রা প্রায় ৩৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস । এই সময়ে এটাকে স্বাভাবিক তাপমাত্রা বলা যায় না। কারণ, গত ৩০ বছরের এই দিনের হিসাব গড় করলে তাপমাত্রা হওয়ার কথা ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ, স্বাভাবিকের চেয়ে ৭′° ডিগ্রি তাপমাত্রা বেশি । এর কারণ উল্লেখ করতে গিয়ে আবহাওয়া অফিস জানায়— বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি, বাতাসের গতিবেগ কম, সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার মধ্যে একেবারেই ফাঁক না থাকা, দীর্ঘ সময় ধরে সূর্যের তাপ ভূ-পৃষ্ঠে পড়ার কারণে গরম যতটা না— ততটা অনুভূত হচ্ছে।

প্রচুর জলীয় বাষ্প থাকে এই সময়ে। এই জলীয় বাষ্পের কারণে শরীরে প্রচুর ঘাম হয়। আর এই ঘামের কারণে একটু গরম পড়লে মনে হয় গরমটা অনেক বেশি।’ দিনের লম্বা সময় সূর্যের কিরণ ভূ-পৃষ্টে পড়াটাও একটি কারণ উল্লেখ করেছেন আবহাওয়া অফিস । দিনের ব্যাপ্তি বেশ দীর্ঘ। আর তাই সূর্যের তাপ লম্বা সময় ধরে ভূ-পৃষ্ঠে পড়ার কারণে গরম বেশি অনুভূত হচ্ছে।’