বাগেরহাটের ঐতিহ্যবাহী মোংলা বন্দর

0
0

মনিরুল মাঝি, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি:

বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর তাই দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে অন্য রকম এই মোংলা বন্দর। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে শত শত বছর ধরে চলে আশে এই সমুদ্রের বানিজ্য ব্যবসা । মোংলা বন্দর এটি চালনা নামে ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং চালনা বন্দর কর্তৃপক্ষ নামে একটি সরকারি অধিদপ্তর হিসাবে যাত্রা শুরু করে। ম ১৯৭৭ সালে মে মাসে চালনা বন্দর কর্তৃপক্ষ নামক একটি স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।চালনা বন্দর পুনঃ১৯৮৭ সালের মার্চ মাসে এটি নাম পরিবর্তন করে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ হিসেবে যাত্রা শুরু করে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে শত শত বছর ধরে চলে আশা সমুদ্র বানিজ্য একটি বাংলাদেশের প্রান সরুপ আন্তর্জাতিক বানিজ্য সম্প্রসারন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সমুদ্র বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে । মোংলা বন্দর খুলনার বিভাগের অন্যতম শেষ্ঠ আকর্ষন এবং বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর তাই দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে মানুষের অহংকার। এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ বন্দর ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছে । ১৯৫০ সালে বিদেশি জাহাজ সুন্দরবনের মধ্যে পশুর নদীর জয়মনিগোল নামক স্থানে নোঙ্গর করে । এটাই ছিল মোংলা বন্দর প্রতিষ্ঠার শুভ সুচনা হয়। জয়মনির গোল থেকে ১৪ মাইল উজানে চালনা নামক স্থানে এ বন্দর স্থানান্তরিত হয়ে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত এ বন্দরের কার্যক্রম চলে । পরে স্যার ক্লাইভ এংনিস পশুর ও শিবসা নদী জরিপের জন্য আসেন দীর্ঘ বিস্তত জরিপের পর তিনি তার রিপোর্টে বন্দরকে চালনা থেকে সরিয়ে মোংলায় প্রস্তাব করে । সুবিস্তত স্থলভাগ ও বন্দর নির্মানের জন্য ছিল উপযোগী উপরোক্ত প্রস্তাব অনুযায়ী ১৯৫৪ সালের ২০শে জুন এ বন্দরকে সরিয়ে মোংলা নামক স্থানে নিয়ে আসা হয় । বন্দর যখন চালনা বন্দর ছিল তখন এটা ছিল একটা অচেনা গ্রাম নাম ছিল শ্যালাবুনিয়া তবে বন্দর স্থানান্তরের পরেই ঘটে তার পরিবর্তন । একটা অচেনা ক্ষুদ্র গ্রাম পায় আন্তর্জাতিক পরিচিতি । মোংলা নদীর তীরে স্থাপন হওয়ায় এ বন্দরের নাম হয় মোংলা । একটি সরকারি অধিদপ্তর হিসাবে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৭ সালের মার্চ মাসে এটি নাম পরিবর্তনপূর্বক “মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ” হিসেবে যাত্রা শুরু করে।এখানে হাজার হাজার মানুষের বেকারত দূর হয়েছে,আসে পাশের শহরের লোকজন কম্ হিন হয়ে পরছে না তারা এখন থেকে জীবিকা নিরবাহ করতে পারছে। খুলনা বিভাগে বাগেরহাট জেলার যেন বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অসামান্য সমাহার সুন্দরবনের কুল ঘেষে সমুদ্র থেকে ১৩১ কিঃমিঃ উজানে এবং বিভাগীয় শহর হতে ৪৪ কিঃমিঃ দক্ষিণে বাগেরহাট জেলাস্থ পশুর নদীর পূর্ব তীরে মংলা নালা ও পশুর নদীর মিলনস্থলে। পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট ‘‘সুন্দরবন’’, ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক “ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ” হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই বনদ্বারা মোংলা বন্দর সুরক্ষিত।