বাগেরহাটের প্রাচীন ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ

0
65

মনিরুল মাঝি, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি:

খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলায় এই ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ অবস্তিত। বাংলাদেশের প্রাচীন ঐতিহাসিক মসজিদ গুলোর মধ্যে অন্য তম এই মসজিদ। বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত এই প্রাচীন মসজিদ। বাগেরহাট জেলার শহরের একটি অংশ ছিল এই ষাট গম্বুজ মসজিদটি। এই শহরের অপর নাম ছিলো খলিফতাবাদ । ষাট গম্বুজ মসজিদের গায়ে কোনো শিলালিপি/কারুকাজ নেই। তাই এটি কে নির্মাণ করেছিলেন বা কোন সময়ে নির্মাণ করা হয়েছিল সে সম্পর্কে সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি এখনো। তবে মানুষের সব সময় ধারনা করে আসছে, মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী নকশায় এটি যেন খান জাহান আলী নির্মাণ করেছিলেন। সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ থাকে না। আনুমানিক ধারণা করা হয় তিনি ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন। এ মসজিদটি বহু বছর ধরে ও বহু অর্থ খরচ করে নির্মাণ করা হয়েছিল। পাথর গুলো আনা হয়েছিল রাজমহল থেকে,নদী পথে ভাসিয়ে এনেছিল পাথর খান জাহান আলী,যে নদী পথ দিয়ে পাথর এনেছিলেন সেই নদী পথে নমুনা রাখার জন্য একটি পাথর রেখে এসছিল এখন আল্লাহ রহমতে আছে । এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের ।একটি, ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।বাংলাদেশ ছোট দেশ হিসাবে বড় সম্নান গর্ব অজ্ঞন করেছে। ষাট গম্বুজ মসজিদটি বাহিরের অবস্থান- উত্তর-দক্ষিণে বাইরের দিকে প্রায় ১৫০-৬০ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ১৪০-৪৫ ফুট লম্বা এবং পূর্ব-পশ্চিমে বাইরের দিকে প্রায় ১০ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ৯০ ফুট চওড়া। দেয়ালগুলো প্রায় ৮·৫-৯ ফুট পুরু। ষাট গম্বুজ মসজিদে গম্বুজের সংখ্যা মোট ৮১ টি, সাত লাইনে ১১ টি করে ৭৭ টি এবং চার কোনায় ৪ টি মোট ৮১ টি। ৮১ টি গম্বুজ থাকা সত্য ও কালের পরিবর্তনে লোকমুখে ৬০ গম্বুজ বলতে বলতে।এখন ষাট গম্বুজ নামকরণ হয়ে যায়, সেই থেকে ষাট গম্বুজ নামে পরিচিত। ঐতিহাসিক প্রাচীন জিনিস পত্র বাগেরহাট জাদু ঘরে রাখা আছে। এখন মানুষ প্রাচীন ঐতিহাসিক জিনিসের মাঝে যানতে বুঝতে শিখতে আসে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত হাজার মানুষের ও প্রবাসী বিদেশিরা গুরতে আসে ষাট গম্বুজ মসজিদ দেখতে।