

রাঙামাটিতে তৃণমূল পর্যায় অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে নারী উদ্যােক্তাদের বিকাশ সাধন প্রকল্প এর আওতায় ফ্যাশন ডিজাইন, বিউটিফিকেশন, ক্যাটারিং,ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, বিজনেস ম্যানেজমেন্টের ২য় ব্যাচের ট্রেড এর ভর্তি আবেদন পত্র বাছাই প্রশিক্ষণার্থীদের চূড়ান্ত নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়। সব গুলো ট্রেডে উপজাতি নারী আর বাঙালী নারী হিসেব করলে বাঙালী নারী ২০% প্রশিক্ষণের জন্য সুযোগ পেয়েছে, আর উপজাতিরা ৮০% এর অধিক সুযোগ পেয়েছে।
অথচ বাঙালী ৫০% ও উপজাতিরা ৫০% করে সমান ভাবে সুযোগ পাওয়ার কথা ছিলো। এই বিষয়ে কর্তৃপক্ষ কে জানালে তারা বলে বাঙালী নারীরা আবেদন করে না, আসলে এটিও একটি কৌশল কর্তৃপক্ষের আমরা বিভিন্ন ভাবে জানতে পারি বাঙালী নারীরা আবেদন করলেও তাদেরকে সেভাবে সুযোগ দেয় না, আর লবিং বা সুপারিশ ছাড়া তো কোন সাধারণ নারীরা ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায় না। আমরা এমন বৈষম্যের তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
আগামীতে প্রতিটি ট্রেডে সমান ভাবে বাঙালী ও উপজাতি প্রশিক্ষণার্থীদের নেওয়ার জোর দাবী জানাচ্ছি।
পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালী ছাত্রছাত্রীদের প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হতে হচ্ছে। উপজাতীয় শিক্ষার্থীরা ভর্তি ও চাকুরি ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা পাওয়া ছাড়াও বিভিন্ন সরকারী বৃত্তি সামান্যতম কৃতিত্বের কারণে অথবা দারিদ্রতার অজুহাতে কার্যক্ষেত্রে সঙ্গত কারণ ব্যতিত কেবল উপজাতীয় হবার সুবাদে পার্বত্য জেলা পরিষদ, আঞ্চলিক পরিষদ, পার্বত্য মন্ত্রণালয়, উন্নয়ন বোর্ড, জেলা প্রশাসন থেকে বৃত্তির মোটা অংকের অর্থ পেয়ে থাকে। এক্ষেত্রে বাঙালী শিক্ষার্থীরা তাদের থেকে যোগ্যতা সম্পন্ন ও দারিদ্রতার শিকার হয়েও উপেক্ষিত হচ্ছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামে সকল পক্ষের এক পাক্ষিক ও সাম্প্রদায়িক মনোভাব বাদ দিয়ে সকল জনগোষ্ঠীকে সমভাবে সুযোগ দিয়ে অসাম্প্রদায়িক পার্বত্য চট্টগ্রাম গড়ে তুলার জন্য সকলের নিকট উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।
বার্তা প্রেরক
মোঃ তাজুল ইসলাম
প্রচার সম্পাদক
পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ
কেন্দ্রীয় কমিটি।
মোবাইলঃ 01877979666





