গুলশান হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী ও নব্য জেএমবির শীর্ষ নেতা নুরুল ইসলাম মারজান তার এক সহযোগীসহ কাউন্টার টেরোর্জিম ইউনিটের গুলিতে নিহত হয়েছেন। দুই জঙ্গির মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মগে রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর বেরিবাঁধে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সঙ্গে এই ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, জঙ্গি মারজানকে ধরতে তারা বেশ কিছুদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় গত রাতে মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় চেকপোস্টে তল্লাশির সময় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়ে। এতে দুইজনই মারা যান। পরে ছবি দেখে একজনকে ‘জঙ্গি’ মারজান বলে শনাক্ত করা হয়। আর অপরজন তার সহযোগী সাদ্দাম হোসেন।
কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের মুখপাত্র মনিরুল ইসলাম মারজানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নুরুল ইসলাম মারজান নব্য নব্য জেএমবির অন্যতম শীর্ষ নেতা। মারজান ছিল গুলশান হামলার অপারেশন কমান্ডার। মারজানের স্ত্রী প্রিয়তী আজিমপুর অভিযানে গ্রেফতার হয়। মারজানের গ্রামের বাড়ি পাবনার হেমায়েতপুরের আফুরিয়ায়।







মন্তব্য করুন