
খালিদ আহমেদ রাজা:
সম্প্রতি নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করায় কুড়িগ্রামের সাবিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে ঘর-বাড়ি থেকে পানি নেমে না যাওয়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে বন্যা দুর্গত প্রায় ৪ লক্ষাধিক মানুষের। করোনা পরিস্থিতির পাশাপাশি বন্যায় কর্মহীন হয়ে পড়া এসব মানুষেরা খেয়ে না খেয়ে দিন পাড় করছে। যারা ঘর-বাড়ি ছেড়ে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়ে কষ্টে দিন যাপন করছে তারাও ঘরে ফিরতে পারছে না। নদী ভাঙ্গন ও বন্যায় ভেসে গেছে দুই হাজারেরও বেশি পরিবারের ঘর-বাড়ি।
বন্যা দুর্গত এলাকাগুলোতে খাদ্য সংকটের পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানি ও গোবাদি পশুর খাদ্য চরম আকার ধারন করেছে।
এ অবস্থায় কোরবানীর ঈদের আনন্দ মলিন হয়ে গেছে জেলার প্রায় ৪ শতাধিক চরাঞ্চলের বন্যা দুর্গত মানুষের বিশেষ করে হতদরিদ্র পরিবারগুলো ছেলে-মেয়েদের নতুন জামা-কাপড়তো দুরের কথা এক টুকরো মাংস মুখে তুলে দেয়ার কথাও ভাবতে পারছে না তারা এবং বতমান সময়ের করোনা মহামাড়িতে।
সদর উপজেলার ব্রহ্মপুত্র চরাঞ্চলের অববাহিকার গারুহারা চরের সাইফুর হোসেন জানান, আমরা দিনমজুরের কাজ করে দিন এনে দিন খাই।করোনা ভাইরাসের কারনে কাজ ছিল না। তার উপর বন্যা একেবারেই বসে থাকা ছাড়া উপায় নাই। ৭ জনের পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে রয়েছি। এই এক মাসের বন্যায় মাত্র ১০ কেজি চাল পেয়েছি।তাও শেষ হয়ে গেছে।এ অবস্থায় কিভাবে ঈদের কথা ভাবতে পারি। আমাদের কোন ঈদ নেই। কুড়িগ্রামের সদর ঘোগাদহ ইউনিয়নের খামার রসুলপুর গ্রামের হাজেরা বেগম জানান, ৭/৮ মাস ধরে আমার স্বামীর হাতে কোন কাজ নেই। ঈদের মাংস তো দূরের কতা, ঘরে তিন দিন খারার নেই





