

সোহেল আহমেদ ভূঁইয়া, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
ই-প্রেস ক্লাব একটি আন্তর্জাতিক সাংবাদিক সংগঠন। ২০২১ সাল থেকে এই সংগঠনটি কাজ করে যাচ্ছে। প্রকৌশলী সৈয়দ ফজলুল কবীর ই-প্রেস ক্লাবের স্বপ্নদ্রষ্টা, উদ্যোক্তা। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে ইতিহাস তৈরি করতে সকল রকমের প্রস্তুতি নিচ্ছে ই-প্রেস ক্লাব। এই ই-প্রেস ক্লাব এর মাধ্যমে সাংবাদিকরা তাদের অধিকার বাস্তবায়ন করতে পারবে। সাংবাদিকদের আয়ের ব্যবস্থা করে দিবে এই ক্লাব। গনমাধ্যমকে বাংলাদেশ সরকার শিল্প ঘোষনা করেছেন ২০১৪ সালে। ই-প্রেস ক্লাব সেই লহ্ম্যেই এগিয়ে চলছে।
২০২২ সালে এই ই-ক্লাবের কাজের ধারা আরো বেগতিক গতিতে এগিয়ে চলছে। বাংলাদেশের সকল জেলা থেকে সাংবাদিকরা যোগ দিতে থাকলো। প্রকৌশলী সৈয়দ ফজলুল কবীর সবাইকে নিয়ে কাজ করার জন্য প্রস্তুত করতে লাগলো। প্রথমে তিনি ভারতের সাংবাদিকদের সাথে আলোচনা শুরু করলেন , সেখানকার সাংবাদিকরা এক সাথে এবং ই-প্রেস ক্লাবের ছায়াতলে থেকে কাজ করতে সম্মতি জানালেন। এরপর ভারেতের প্রায় সকল জেলা থেকেই সাংবাদিক যোগদান করতে লাগলেন। স্বপ্ন যেনো বাস্তবায়নের পথে। এরই মাঝে যুক্তরাজ্য থেকে সংগঠনটি তাদের নিবন্ধন করে নিলো। যা ছিলো একটা বিশাল সফলতা। আর তখন থেকেই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করলো ই-প্রেস ক্লাব। বাংলাদেশ সরকারের পহ্ম থেকেও নিবন্ধন সম্পূর্ণ করা হয়ে গেলো।
ই-প্রেস ক্লাবে কি নেই? অনেক কিছু নিয়েই কাজ করবে এই সংগঠনটি।
১. ই-প্রেস নিউজ , ২. প্রেস হেলথ লিমিটেড, ৩. প্রেস কমিউনিটি, ৪. ই-প্রেস ম্যাগাজিন , ৫. প্রেস ওয়ালেট , ৬. ই-প্রেস ইন্ডাসট্রিজ , ৭. প্রেস লিগ্যাল এইড , ৮. প্রেস ব্লাড ব্যাংক , ৯. প্রেস লাইব্রেরি, ১০. প্রেস ট্রেনিং
ই-প্রেস ক্লাব আস্তে আস্তে কয়েকটির নিবন্ধন সম্পুর্ন করে ফেলে। কয়েকটির ওয়েব সাইটও চালু হবার পথে। যার মধ্যে
১. www.epressclub.com.bd
২. www.epressnews.com.bd
৩. www.epressindustries.com.bd
সংগঠনটিতে দেশের অনেক পরিচিত সাংবাদিক যোগদান করতে শুরু করেছেন। প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রকৌশলী সৈয়দ ফজলুল কবীর জানান, আমরা আমাদের স্বপ্নের খুুবই কাছাকাছি চলে আসছি। এরই মাঝে আমরা জীবন বীমার সাথে সমঝোতা স্বাহ্মর করেছি। যার দ্বারা একজন সাংবাদিক তার জীবন বীমা করতে পারবেন এবং কভারেজ পাবেন।
আমরা হেলথ কেয়ার চালু করলে সাংবাদিকদের জন্য ২০%-৪০% ছাড় থাকবে। এমনকি হেলথ কেয়ার থেকে সাংবাদিকরা অল্প খরচে ভালো সেবা পাবেন। তিনি আরো বলেন, সাংবাদিকদের নিজ্বস্ব পণ্য থাকবে। যা থেকে আয় আসবে এবং সেই টাকা থেকেও সাংবাদিকরা টাকা পাবেন। সাংবাদিকদের জন্য থাকবে ব্লাড ব্যাংক, সাংবাদিকদের পরিবার যেকোন সময়ে রক্ত পেয়ে যাবেন। এমন কি লিগ্যাল এইড থাকবেন। যদি কোন সাংবাদিক প্রশাসনিক জটিলতায় পড়ে যায় তখন লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে সমাধান করা হবে। এছাড়াও সাংবাদিকদের জন্য ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করা থাকবে। দেখা যায় মফস্বলের একজন সাংবাদিক অনেক কিছু বুঝতে পারছেন না তখন তাকে ট্রেনিং দেওয়া হবে।
এভাবে এমন আরো অনেক কিছুই করা হবে যা সাংবাদিকদের জন্য কল্যাময় হবে।
তিনি পরিশেষে বলেন, একজন সাংবাদিক যেনো তার পেশাকে নিয়ে গর্ববোধ করেন , তার জন্য সকল কিছুই ই-প্রেস ক্লাব করবে। তিনি সকল সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।




