
আক্তার মাহমুদ, যশোর: যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্যোগে ১৫ই আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

বাঁকড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নিছার আলীর সভাপতিত্বে ও মাষ্টার শওকত আলীর পরিচালনায় আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্টিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছার) আসনের সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল (অবঃ) ডাঃ নাছির উদ্দিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুল ইসলাম। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সেলিম রেজা। বাঁকড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নিছার আলি উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সহ-সভাপতি আজাহার আলী, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এহসানুল হাবীব শিপলু সহ বাঁকড়া ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ সহ সর্ব স্তরের জনগন।
উপস্থিত প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এমপি মোঃ নাসির উদ্দীন বলেন ১৫ ই আগষ্ট জাতির জন্য এক কলঙ্কময় দিন। জাতীয় শোক দিবস। ৪৬ বছর আগে ১৯৭৫ সালের এই দিনে একদল বিপদগামী পাক হায়েনাদের প্রেতাত্মা তথা সেনাবাহিনীর একটি চক্রান্তকারী চক্র মহল সপরিবারে হত্যা করে বাঙালী জাতীর জনক, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান, বাঙালী জাতীর অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।
৪৭, ৫২, ৬৯, ৭০ সহ বিভিন্ন সময়ে মৃত্যুর দ্বার হতে বার বার ফিরে এসেছিলেন, ৭১-এ পাকিস্তানী হায়েনারা যা করতে পারে নাই, সেই কাজটিই অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় ও পুর্বপরিকল্পিতভাবে সম্পাদন করে পাপিষ্ঠ ঘাতকরা। ওরা মানুষ নামের হায়েনার দল, ওরা শয়তানের প্রেতাত্মা। ওরা জঘন্য। ওরা বিপদগামী হিংস্র জানোয়ারের দল।
একদিন যে অঙ্গুলী উচিয়ে বাঙ্গালী জাতিকে জাগিয়ে তুলেছিলেন, বলেছিলেন, “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” সেই স্বাধীন বাংলাদেশে তাঁর অঙ্গুলি চিরদিনের জন্য নিস্তেজ করে দেয় ঘাতকরা ধানমন্ডির ৩২ নম্বর ঐতিহাসিক সেই বাড়িতে। আর কোনদিন ঐ অঙ্গুলি আমাদেরকে প্রেরণা দিতে আসবেনা, দিবেনা মুক্তির বার্তা। তবে একটা কথা আমাদের মনে রাখতে হবে তিনি মৃত্যুহীন।
প্রাণী হিসেবে মানুষ মরণশীল বলে সবারই একটি মৃত্যুদিন থাকে। তবে কোনো কোনো মানুষের শুধু দেহাবসানই ঘটে,মৃত্যু হয় না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব যিনি আমাদের বাঙ্গালী জাতির পিতা তার কি মৃত্যু হতে পারে? না তিনি মৃত্যুহীন। তিনি চির অমর হয়ে ইতিহাসের পাতায় আমাদের হৃদয় মাঝে আছেন এবং চিরদিন থাকবেন।





