নেত্রকোণায়-কেন্দুয়া সড়কের ঢিলেঢালা কাজ

0
31

বিপুল জামান লিখন, নেত্রকোণা প্রতিনিধি: দীর্ঘদিন পর্যন্ত নেত্রকোণা-কেন্দুয়া সড়কের বেহাল দশা জনগণকে অতিষ্ঠ করে তুলছে।রাস্তায় গর্ত তো আছেই রিকশা নিয়ে গেলেও পড়ে যাবার ভয়।

নেত্রকোণায়-কেন্দুয়া সড়কের ঢিলেঢালা কাজ
নেত্রকোণায়-কেন্দুয়া সড়কের ঢিলেঢালা কাজ

এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে অসন্তুষ্ট ও দূর্ভোগের সীমা নাই।ভাঙ্গাচোরা রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে না পারায় অনেকেই বিকল্প পথ বেচে নেয়।প্রায় ২৭ কিলোমিটার রাস্তা (কেন্দুয়া পৌরসভা থেকে নেত্রকোণার বানুয়াপাড়া) চলাচলের অকেঁজো অবস্থা।সড়ক তো সড়ক না যেন রাস্তা দিয়ে পালকি চলে। এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের আশা রাস্তার সংস্কার করণ করা হোক।   এ নিয়ে এলাকার লোকজন স্মারকলিপি,মানববন্ধন,নানা সময়ে দাবি জানিয়ে আসছে।তবে,এলাকার মানুষের আশার বাতি জ্বললেও এখনো কাজের সুফল আসছে না।

পূর্বে নেত্রকোণা থেকে কেন্দুয়ার সিএনজি সময় ছিল (৩৫-৪০) মিনিট এখন সেখানে ১ঘন্টা ৩০ মিনিট সাথে গাঁ ব্যাথা সবশেষে ভাড়ার অংকটা বিশাল।তিন বছর যাবৎ বাস চলাচল বন্ধ।সরু রাস্তা দিয়ে বিপরীতের গাড়িকে চলাচলের সুযোগ দেওয়া সম্ভব হয় না।বর্তমানে এই রাস্তা দিয়ে রিকশা,সিএনজি,অটোরিকশা,মোটরসাইকেল চলাচলের কিছুটা সুযোগ থাকলেও দুর্ঘটণার ভয়।সড়কে পিচ নাই বললেই চলে তবে না থাকার কারণে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত রয়েছে।

নেত্রকোণা সড়ক ও জনপথ(সওজ) সূত্রে জানা যায়,২০১৯ সালে জুনের মাঝামাঝি নেত্রকোণা কেন্দুয়া,ঈশ্বরগঞ্জ ও আঠারবাড়ী “জেলা মহা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প” নামে একটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয় যা নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩৫৩ কোটি টাকা এবং এর সময়কাল ছিল ২০২২ সালে জুনের মাঝামাঝি পর্যন্ত।তার মধ্যে ১৮২ কোটি টাকা জমি অধিগ্রহণ,১৪৫ কোটি টাকা সড়ক সংস্কার ও টাকা কালভার্ট,সেতু,রিজিভ পেপমেন্ট ইত্যাদি নতিযুক্ত করা হয়েছিল।

এ নিয়ে কাজ করার লক্ষ্যে একটি টিকাদার প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।পরে অবশ্য প্রতিষ্ঠানটির সামর্থ্য না থাকায় প্রতিষ্ঠানটি পিছু হঠে। আবার দুটি প্রতিষ্ঠানকে টিকাদারী দায়িত্ব দেওয়া হলেও একটি প্রতিষ্ঠান কিছু কিছু কাজ শুরু করেছে কিন্তু অন্য প্রতিষ্ঠানটি এখনো কোনো কাজ চোখে পড়ার মতো না।

এর আগে ২০ মার্চ নেত্রকোণা-৩ আসনের এমপি অসীম কুমার উকিল রাস্তাটি দূত সংস্কার কারার জন্য তিনটি প্যাকেজের মাধ্যমে রাস্তা উদ্বোধন করেন। এ নিয়ে নির্বাহী প্রকোশলী(সওজ) মো হামিদুল ইসলাম বলেন,করোনা ও বর্ষার কারণে সংস্কার কাজে ধীরগতি।সড়কটি তিনটি প্যাকেজে হবে তবে একটি এখন চলমান।বাকী দুটু কার্যাদেশ দেওয়া হবে।