“মুক্তির গান”

0
23

ফেরারী মিজান

এদেশের ভাগ্যাকাশে ঊদিত হবে কি আবার উজ্জল সূর্যদয়
যদি মায়ের মুখের বুলি রক্ষারথে
রাজপথে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দেয় বাংলা মায়ের সন্তান
তবে অধীকার আদায়ের এই লগ্নে জেগে উঠো এক হউ আবার, হিন্দু-মুসলমান

এক নেতার আন্দোলনে কি শেষ হয়ে গেছে অধীকার আদায়ের সংগ্রাম
তবে পাবি কি করে ফিরে
থাকিস যদি ঘরে
বেরিয়ে আয়,তুলে নে হাতে,
ঘারের জোয়াল নামিয়ে ফেলে,পিছন ফিরে সম্মুখপানে এগিয়ে গিয়ে ঝাপিয়ে পর
অধিকার আদায়ের সংগ্রামে ।

হালের বলদ সাজিয়েছেো তাই ঘেয়েছি অনেক মার,
সয়েছি অনেক লাঠির আঘাত
আজ জেগেছে কালাপাহার

দেবতারে পুজি ,
দেবতার সম্মনে, রাজপথ মুখরিত করি স্লোগানে
শরীরের মাংস প্রখর তাপে খয়ে যায় ঘামে
তবুও দেবতা দেয়নি বরদান
কেমনে সে দেবতারে পুজি বলো
না থাকলে দেহে প্রান

অধিকারের নামে শুনেছি ফাকা বুলি
করেনিতো কেউ সপ্নপুরন
সপ্ন গাঙ্গে ডুবিয়ে তরি,
করেছে আমার পাওনা হরন

লোভের ফাঁদে আর কতকাল
করবি মোদের,
সপ্ন শোষণ
হাতে তুলে নে,বিজয়ের পাল
ছুরে ফেল ঐ অঘ্নি কুঠরে
সাম্যবাদীর হস্তলিখন

অধীকারে নামে করেছে যারা সংগ্রাম
বিনিময়ে কেরে নিয়েছো
তোমরা তাদের প্রান

কত মায়ের বুক করেছ খালি
মা পায়নি আজও
তাদের ছেলের খবর
চোখের অস্রু ফেলে কাঁদে সারা রাত
মা জানেনা কোথায় দিয়েছো, তোমরা
তার ছেলের কবর

স্মরণ করো
মুনির চৌধুরীর কবর নাটক
যেঁথায় শহিদের লাশ হয়ে থাকে জ্যান্ত

যালিমের আস্তানা ভেঙ্গে তচনছ করে
তবেই সে লাশ শান্ত ।

ভাষণ দিয়ে হয়না শাষণ
শোষণ করে সোনার পাহাড়
নিতেই হবে পাওনা মোদের
জাগরে যুগের কালাপাহার

প্রজাতন্ত্রের দেশে যদি
শাষণ চলে রাজতন্ত্র
ছাড়বনা মোরা পাওনা মোদের
এটাই মুক্তির মূলমন্ত্র