পদ্মা সেতু নির্মাণে কয়রা উপজেলা বাসীর ভাগ্য পরিবর্তন হবে বলেছেন নিশিত রঞ্জন মিস্ত্রি

0
4

শুভ মন্ডল, কয়রা প্রতিনিধিঃ

-পদ্মাসেতু বিনির্মানে খুলনা জেলার কয়রা উপজেলা বাসীর ব্যাপক ভাগ্য পরিবর্তন হবে বলে ধারণা করছেন কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের(ভারপ্রাপ্ত) সাধারণ সম্পাদক নিশিত রঞ্জন মিস্ত্রি।
স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি ও মুজিব শতবর্ষের শ্রেষ্ঠ অবদান বঙ্গবন্ধু তনয়া জননেত্রী শেখ হাসিনার শ্রেষ্ঠ উপহার পদ্মা সেতু বিনির্মাণ।
তিনি বলেন সুন্দর বন অঞ্চল এবং উপকুলীয় অবহেলিত এই উপজেলার ৭ ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা,ব্যবসা বাণিজ্য,বিশেষ করে মৎস্য ,চিংড়ি এবং কাঁকড়া চাষীদের ও শুকনো মৌসুমে তরমুজ বোরোচাষে এগিয়ে গেছে কয়রা উপজেলা বাসী।রাস্তাঘাট সহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মধ্যে কয়রা উপজেলা বাসীর দিন কাটলেও আগামীতে এ সমস্যার সমাধান হবে উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থার মাধ্যমে।
কাঁচা মাল সরবরাহে জন্য দ্রুত যানবাহনের সংকট নিরসন হবে আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি।সরাসরি রাজধানীতে পৌঁছানোর জন্য আগে সময় লাগতো ৭-৮ ঘন্টা,পদ্মাসেতু চালু হওয়ায় কয়রা উপজেলা থেকে মাত্র ৪-৫ ঘন্টার মধ্যে ঢাকায় পৌঁছে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে।
সময় বাঁচবে,যাতায়াত খরচ অনেক কম হবে।পরিবহন চালু হলে আরও বেশি সুবিধা হবে কয়রা উপজেলা বাসীর জন্য।তখন সরাসরি ঢাকা চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন অঞ্চলে এখানকার উৎপাদিত ফসল উচ্চ মূল্যে বিক্রি করা সম্ভব ‌
বিশ্বের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্যের লীলাভূমি সুন্দর বন।পর্যটকদের জন্য অপেক্ষায় থাকবে পর্যটক কেন্দ্রগুলো।গড়ে উঠবে পর্যটনশিল্প,দেশী-বিদেশী পর্যটকদের আনাগোনায় মুখরিত হয়ে উঠবে অবহেলিত কয়রা উপজেলা।
গড়ে উঠবে বিভিন্ন শিল্প কারখানা যেখানে হাজার হাজার বেকার যুবক যুবতীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।বাড়বে জমির মুল্য, বর্তমানে জলের দামে বিক্রি হচ্ছে জমি।
চিকিৎসার জন্য মানুষ কে যে পরিমান ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।সেটাও দ্রুত সমাধান হবে বলে আশা করেছেন।
সবমিলিয়ে কয়রা উপজেলা হবে একটি উন্নত উপজেলা এটা আমি এবং আমার রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কয়রা উপজেলা শাখা আশা করছে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান বাবু গভীর আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে কয়রা সদর কে পৌর এলাকাসহ বিভিন্ন দপ্তরের নিজ সংসদীয় প্যাডে দৃষ্টি আকর্ষন সহ ডিও লেটার প্রদান করেছে্।যাহা বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হবে বলে ধারণা করেছেন কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের (ভারপ্রাপ্ত) সাধারণ সম্পাদক নিশিত রঞ্জন মিস্ত্রি।